1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
মায়ের কাছে রান্না শিখে আজ সেরা রাঁধুনী সাদিয়া - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কাপ্তাই তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং: তুলে ধরলেন বর্তমান সরকারের ১ শত ৮০ দিনের সম্পাদিত কার্যক্রম পূর্ব বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জাফর হায়াতের ১১তম মুত্যুবার্ষিকী পালন উন্মোচিত হলো এস এম পিন্টু ’অনুপ্রেরণা’ গ্রন্থের মোড়ক প্রাথমিকে নির্বাচিত ১৪ হাজার শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু জাফর হায়াতের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী ১১ মে সোমবার ২৩ ও ২৪ মে খোলা থাকবে অফিস জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন করলেন নতুন এসপি মাসুদ মোঃ আলীর হোটেল গেটওয়ে মদ,জুয়া, ইয়াবা ও অসাজামিক কর্মকান্ড সবই চলে দেখার কি দেখার কেউ নেই? বাজেট অধিবেশন ৭ জুন আনোয়ারায় প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামী তবু গ্রেফতার হচ্ছে না

মায়ের কাছে রান্না শিখে আজ সেরা রাঁধুনী সাদিয়া

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
  • ৪৭৭ বার পড়া হয়েছে

‘রান্নার কোনো কোর্স করিনি। মায়ের কাছে প্রথম শেখা। এরপর নিজ আগ্রহেই ঘরের সবাইকে রান্না করে খাওয়ানোর মাধ্যমে আজ সেরা রাধুনী হয়ে ওঠা।’- জাগো নিউজকে এমনটিই জানাচ্ছিলেন ‘সেরা রাধুনী ১৪২৭’ এর বিজয়ী সাদিয়া তাহের।

চট্টগ্রামের মেয়ে সাদিয়া তাহের। বাংলাদেশের কুকিং রিয়েলিটি শো ‘সেরা রাঁধুনী ১৪২৭’ এর ৬ষ্ঠ আসরে অংশগ্রহণ করে ২৮ প্রতিযোগীর মধ্যে জয়ী হয়েছেন। দীর্ঘ প্রতিযোগিতার পর জাঁকজমক চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয় ৯ জুলাই।

উক্ত অনুষ্ঠানেই এ বছরের সেরা রাঁধুনী হিসেবে ঘোষণা করা হয় সাদিয়ার নাম। পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন স্মারক ও ১৫ লাখ টাকা। সেরা রাঁধুনী হওয়ার জন্য দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হয়েছে তাকে।

সাদিয়া জানান, ‘অডিশনের দিন আমি একটি ডেজর্ট আইটেম তৈরি করেছিলাম। খুবই নার্ভাস ছিলাম। কখনও ভাবিনি, এতো ভালো ভালো রাঁধুনীর মধ্যে টিকতে পারবো। তবে অডিশনে টিকে যাওয়া পর আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।’

সারাদেশ থেকে ২৮ জন প্রতিযোগী নিয়ে শুরু হয় কুকিং রিয়েলিটি শো ‘সেরা রাঁধুনী ১৪২৭’। এরপর গ্র্যান্ড সিলেকশনের পর মোট ১৫ জন সেরা রাঁধুনীদের নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শুরু হয়।

এ বিষয়ে সাদিয়া জানান, ‘আমাদের ১৫ জনকে নিয়ে শুরু হয় সেরা রাধুনী ১৪২৭ এর যাত্রা। টানা ৪-৫ দিন রান্নার বিষয় নিয়ে আমাদেরকে গ্রুমিং করানো হয়। অনেক কিছু শিখেছি গ্রুমিংয়ের মাধ্যমে।’

‘এরপর প্রতি পর্বে একেক করে প্রতিযোগীরা বাদ পড়তে থাকেন। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী হতে হয়েছে আমাদেরকে। যেমন-চোখ বেঁধে খাবারের স্বাদ গ্রহণ করে সঠিক উত্তর দেওয়া, তেল না দিয়ে রান্না করা, বা বাক্স রহস্য ইত্যাদি।’

সব বাঁধা অতিক্রম করে এরপর টিকে যান সেরা তিন জন। সাদিয়ার মতে, ‘সবাই ভালো রাঁধুনী। ছোট ছোট কিছু ভুলের জন্য হয়তো তারা সেরা রাঁধুনীর তকমা পাননি।’

প্রতি পর্বেই বিভিন্ন রান্না আর চ্যালেঞ্জ উতরে বিচারকদের মন ভরিয়ে দিয়েছেন সাদিয়া। তিনি বলেন, ‘আমি কখনও ভাবিনি যে সেরা রাঁধুনী হতে পারবো। দেশবরেণ্য সব রন্ধশিল্পীরা এ অনুষ্ঠানের বিচারক ছিলেন। তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু জেনেছি ও শিখেছি।’

সাদিয়ার রান্না শেখার হাতেখড়ি হয় তার মায়ের কাছে। এরপর ইউটিউব দেখে বা বিভিন্ন রান্নাবিষয়ক খবরাখবর জেনে নিজ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সেরা রাঁধুনী হয়েছেন তিনি।

সাদিয়া বলেন, ‘রান্নার বিষয়ে ছোট থেকে তীব্র আকর্ষণ ছিলো। পরিবারের সবাইকে রান্না করে খাওয়াতাম। সবাই প্রশংসা করতেন। এরপর হঠাৎই একদিন সেরা রাঁধুনী ১৪২৭ এ রেজিষ্ট্রেশন করলাম। এরপরই ভাগ্য যেন মোড় নিলো।’সবটুকু জানতে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla