1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
আনোয়ারায় ভেজাল ঘি ফ্যাক্টরী- পুলিশ মাসোহারা পায় বাবুর্চিরা টোকেনের লোভে ভেজাল ঘি কিনতে উৎসাহ জোগায়, ভোক্তারা ভোগে রোগে দেখার কী কেউ নেই? - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দাপ্তরিক ছুটির দিনেও নগর উন্নয়নে সক্রিয় চউক চেয়ারম্যান, ব্যক্তিগতভাবে তদারকি বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা ও পেশাদারিত্বের ক্ষমতায়নের দাবি আলমগীর নূরের সেচ্চাসেবক লীগ নেতা বাবলা দেবনাথের ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে পটিয়ায় ৭০ বছরের বৃদ্ধা শিক্ষিকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি ও প্রাণনাশের হুমকি কুয়েত গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের উদ্দোগে ফাতেহা ইয়াজদাহুম, মাসিক খতমে গেয়ারবি শরীফ ও দোয়া মাহফিল দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের শাহ আলমই কি বড়লিয়া বিএনপির নতুন মুখ? বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০পরিবারের মাঝে কারিতাসের নগদ অর্থ বিতরণ এফআইএসটির গাড়ী চালকের মারধরের শিকার ফরেস্ট একাডেমির বেয়ারা ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২২ শে সেপ্টেম্বর ​ গণতন্ত্র কি শুধু ভোট দেওয়ার নাম?

আনোয়ারায় ভেজাল ঘি ফ্যাক্টরী- পুলিশ মাসোহারা পায় বাবুর্চিরা টোকেনের লোভে ভেজাল ঘি কিনতে উৎসাহ জোগায়, ভোক্তারা ভোগে রোগে দেখার কী কেউ নেই?

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৪
  • ২০৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি
আনোয়ারার বটতলী, জুঁইদন্ডী, চাতরী, আইলমঙ্গলে ভেজাল ঘি ফ্যাক্টরীর খবর পাওয়া গেছে। পূর্বে নামকরা ঘি ফ্যাক্টরীতে কাজ করত এমন কয়েকজন কর্মচারী কতিপয় লোভী টাকাওয়ালাকে পার্টনার বানিয়ে এসব ঘি ফ্যাক্টরীগুলো চালাচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য তথ্য মিলছে। এসব ঘি খেয়ে ভোক্তারা নানান শারীরিক জটিলতার ভোগলেও বাবুর্চিরা এসব ঘি কেনার জন্য উৎসাহ জুগিয়ে আসছে টোকেন নামক নগদ টাকার লোভে।
জানা গেছে, ‘এম এস’ ‘ বাবু এইচ প্লাস’ ‘রূপসা’ ‘ডানোপা’ ‘বাবু স্পেশাল গাউয়া ঘি’ এই নামের ঘিগুলো দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর খাবার। ‘এম এস’ ১ কেজি ঘির দাম সাত শত আশি টাকা। এখানে একটি টিনের ফটে তিনশত টাকার টোকেন থাকে। এই টোকেন বাবুর্চি জমা দিলেই নগদ তিনশত টাকা পায়। স্থানীয় রাডার অফিসে পাশে এই ‘এমএস’ ঘি ফ্যাক্টরী। এটি মালিক রায়পুর ইউনিয়নের দক্ষিন সরেঙ্গার জনৈক রাশেদ বলে জানা গেছে।
‘বাবু এইচ প্লাস, ‘বাবু স্পেশাল গাউয়া ঘি’ এর প্রতিটি ১ কেজির টিনের ফটে ২০০-২৫০ টাকার টোকেন থাকে ওই টোকেন জমা দিলেই আইরমঙ্গল গ্রামের আহমদ নুর উল্লেখিত পরিমান টাকা বাবুর্চিকে দিয়ে থাকে। বাবু এইচ প্লাস ও বাবু স্পেশাল গাউয়া ঘি’র মালিক আহম্মেদ নুর এই অবৈধ ও ভেজাল ঘি’র ব্যবসা করে বিপুল টাকার মালিক বনে গেছে বলে গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখিত এসব ঘি কোনটির সরকারি কোন বৈধ কাগজপত্র নেই। শুধুমাত্র স্থানীয় থানা ও ফাঁড়ী পুলিশদের মাসোহারা দিয়ে এ অবৈধ মারাত্মক বিষধর খাবারগুলো সুস্থ মানুসদের ঘি’র নামে খাবিয়ে অসুস্থ করে তুলছে।
চাতরী এলাকার তাজ উদ্দিনের ‘রূপসা’ও অনুমোদনহীন ভেজাল ঘি। এই রূপসা’র ফ্যাক্টরীও চাতুরী এলাকায়। ‘কর্ণফুলী ঘি’ও একই রকমের। এসব ঘি খেয়ে সাধারণ জনগণ নানা অসুখ-বিসুখে ভোগে, নষ্ট হয় টাকা অন্যদিকে বাবুর্চি ও ফ্যাক্টরীর মালিকের অবৈধ পণ্য বিক্রি করে প্রশাসনকে হাত করে কামিয়ে নিচ্ছে বিপুল কালো টাকা।

স্থানীয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভোক্তা অধিকার, নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর স্মরণ অতীতকালে এইসব ফ্যাক্টরীতে কখনো মোটা অংকের জরিমানা ও সিলগালা করে দেবার তথ্য দিতে পারেননি এলাকাবাসী।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla