1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
পঁচাত্তরের পরে যদি আখতারুজ্জামান বাবু ভাই মন্ত্রী হতে চাইতেন জিয়াউর রহমানের সময় মন্ত্রী হতে পারতেন - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কাপ্তাই তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং: তুলে ধরলেন বর্তমান সরকারের ১ শত ৮০ দিনের সম্পাদিত কার্যক্রম পূর্ব বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জাফর হায়াতের ১১তম মুত্যুবার্ষিকী পালন উন্মোচিত হলো এস এম পিন্টু ’অনুপ্রেরণা’ গ্রন্থের মোড়ক প্রাথমিকে নির্বাচিত ১৪ হাজার শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু জাফর হায়াতের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী ১১ মে সোমবার ২৩ ও ২৪ মে খোলা থাকবে অফিস জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন করলেন নতুন এসপি মাসুদ মোঃ আলীর হোটেল গেটওয়ে মদ,জুয়া, ইয়াবা ও অসাজামিক কর্মকান্ড সবই চলে দেখার কি দেখার কেউ নেই? বাজেট অধিবেশন ৭ জুন আনোয়ারায় প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামী তবু গ্রেফতার হচ্ছে না

পঁচাত্তরের পরে যদি আখতারুজ্জামান বাবু ভাই মন্ত্রী হতে চাইতেন জিয়াউর রহমানের সময় মন্ত্রী হতে পারতেন –

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৩
  • ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি হচ্ছে একটি ব্রত, রাজনীতি ক্ষমতায় যাওয়া, বিত্ত বৈভব ও খ্যাতি অর্জনের সোপান হওয়া উচিত নয়। যে আদর্শ বিশ্বাস করে সেই আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য রাজনীতিবিদকে সাহসী হতে হয়। যে রাজনীতিবিদ সাহসী নন, তিনি আপস করেন। সেই রাজনীতিবিদ আপস করে হয়তো অনেক পদবি পান, কিন্তু পরবর্তীতে ইতিহাসের পাতা থেকে হারিয়ে যান এবং আপসকামী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকেন। এ রকম বহু রাজনীতিবিদ আমাদের দেশে ছিলেন, এখনো আছেন।৪ নভেম্বর শনিবার বিকালে নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, প্রাক্তন সংসদ সদস্য প্রয়াত জননেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে  তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, আমি আখতারুজ্জামান বাবু ভাইকে কাছ থেকে দেখেছি। কেউ তার কাছে গেছে, কাউকে না বলতে শুনিনি। তিনি একাধারে রাজনীতিবিদ ছিলেন, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী ছিলেন এবং একজন বড় দানশীল ব্যক্তিত্ব ছিলেন। পঁচাত্তরের পরে যদি আখতারুজ্জামান বাবু ভাই মন্ত্রী হতে চাইতেন জিয়াউর রহমানের সময় মন্ত্রী হতে পারতেন। জিয়াউর রহমানের বিদায়ের পর এরশাদ যখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় তখনো মন্ত্রী হবার জন্য তাকে কয়েক দফা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথে বেঈমানি করেননি। তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন, কারাগারে গেছেন। ঝুঁকি নিয়ে দলের কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, আমার বাবা একজন আদর্শবান রাজনীতিবিদ ছিলেন। জীবনে কখনো অন্যায়ের সাথে আপস করেননি। তিনি মরেও কর্মগুণে আমাদের মাঝে অমর হয়ে আছেন। তিনি আপনাদের মাঝে বেঁচে আছেন–এটাই বড় পাওয়া একজন রাজনীতিবিদের জন্য। তাঁর জীবনের প্রতিটি কর্ম আজও চট্টগ্রামসহ সারা বাংলাদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সরকারের একজন মন্ত্রী হিসেবে আমার সুযোগ হয়েছে সারা বাংলাদেশ ভ্রমণ করার। যেখানেই গিয়েছি, আমার বাবার কথা বললেই মানুষের একটা আলাদা সম্মান আমি দেখেছি এবং পেয়েছি। আমি মনে করি আমার এবং আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় পাওনা আর কিছু থাকতে পারে না। আমার বাবা ব্যক্তি জীবনে সফল ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসার জন্য তিনি রাজনীতি করেননি। তাঁর কর্মে তিনি মহীয়ান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের কথা জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনার জন্য আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুকে প্রেরণাদায়ী উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কাণ্ডারী ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা প্রশ্নে কখনো আপস করেননি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, প্রয়াত জননেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু ভাই শুধু ব্যবসা করলে দেশের এক নম্বর ধনী হতেন। কিন্তু রাজনীতিকে তিনি মানি মেকিং মেশিন করেননি। আজ অনেকে রাজনীতিকে কেনাবেচার পণ্য মনে করেন। জনগণকে তিনি ভালোবাসতেন বলেই তাঁর প্রতি জনগণের ভালোবাসা আজও দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, প্রয়াত এই নেতা আওয়ামী লীগের জন্য সবকিছু বিলিয়ে দিয়েছেন। তিনি সবসময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পাশে ছিলেন, নেতাকর্মীদের সাহস যুগিয়েছেন। পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে অনেকে ক্ষমতার উচ্ছিষ্টের লোভে পড়েছিলেন। তখন আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু দল ছেড়ে যাননি। বরং নিজের সর্বস্ব ঢেলে দিয়ে দলের জন্য দাঁড়িয়েছিলেন। এই সময়ে তিনি বেঁচে থাকলে তার প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব আমাদের অনেক সংকট থেকে মুক্তি দিত।

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী এই সভায় সভাপতিত্ব করেন।দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চেমন আরা তৈয়ব, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মোতালেব, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল মান্নান, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সভাপতি দিদারুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম জহুর, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মো. গালিব সাদলী, দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমা হারুন লুবনা প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এস এম আবুল কালাম, আবু সুফিয়ান, শাহাজাদা মহিউদ্দিন, আইয়ুব আলী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল কাশেম চিশতী, দক্ষিণ জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার দাশ, এড. জহির উদ্দিন, মোসলেহ উদ্দিন মনসুর, সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগ নেতা শফর আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, দক্ষিণ জেলার আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. মির্জা কছির উদ্দিন, শ্রম সম্পাদক খোরশেদ আলম প্রমুখ।

 

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla