1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
নদী দখলে নিতে জেলেদের ওপর দস্যুদের গুলি, নিহত ২ - পূর্ব বাংলা
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

নদী দখলে নিতে জেলেদের ওপর দস্যুদের গুলি, নিহত ২

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী প্রতিনিধি
মেঘনা নদীতে মাছ ধরার খেপ দখলকে কেন্দ্র করে জলদস্যুদের গুলিতে ২ জেলে নিহত হয়েছেন। এ সময় জলদস্যুদের গুলিতে গুলিবিদ্ধসহ ৮জন আহত হয়। বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে মেঘনা নদীর স্বর্ণদ্বীপের পশ্চিমে সন্দ্বীপ অংশে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। আহতদের একই দিন রাত ১২টার দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপরদিকে, ঘটনাস্থল থেকে ৫ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় জলদস্যুদের সদস্যরা। নিহতরা হলো, আব্দুর রহমান (৪০) নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের নাছির আহমদের ছেলে ও একই উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদ ইসমাইল (৪২)। নোয়াখালীর পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মানস বিশ্বাস ২ জেলে নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গতকাল রাত ১২টার দিকে সন্দ্বীপ কোস্টগার্ডের সদস্যরা ২ জেলের মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে যায়। ওই সময় আহত ২-৩জনকে জেলেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। নিহত ২ জেলের মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। গুলিবিদ্ধ জেলেরা হলেন, জিল্লুর রহমান (৩২) ও নুর আলম মিয়া (৩৫)। এদের মধ্যে জিল্লুর নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের চরমজিদ গ্রামের ভুলু মাঝির ছেলে ও মিয়া একই উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চরতোরাব আলী গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে। অপহৃত জেলেরা হলেন, রাজু (১৩), জুয়েল (২৬), আব্দুর রহমান (২২), হোসেন (৪২) ইসমাইল (৪০)। অভিযুক্ত কেফায়েত উল্যাহ মুঠোফোনে জানান, তিনি গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে চট্রগ্রামে বিশেষ কাজে একটি আবাসিক হোটেলে অবস্থান করছেন। সেখানে হোটেলের রেজিস্টার ও সিসিটিভি ক্যামেরায় তার অবস্থান রেকর্ড রয়েছে। তিনি কোনভাবেই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় বলে দাবি করেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে সন্দীপ কোস্টগার্ড স্টেশনের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো.মহিউদ্দিনের মুঠোফোনে কল করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। ফোন রিসিভ করেন সন্দীপ কোস্টগার্ড স্টেশনের কন্টিনজেন্টের আরেক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। তিনি তার পরিচয় দিয়ে বলেন, এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের জানা নেই। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো.মহিউদ্দিন এখনো অফিসে আসে নাই।
শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla