1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
রাজাপুরে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে মানুষের অনিহা প্রকাশ - পূর্ব বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কাপ্তাই তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং: তুলে ধরলেন বর্তমান সরকারের ১ শত ৮০ দিনের সম্পাদিত কার্যক্রম পূর্ব বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জাফর হায়াতের ১১তম মুত্যুবার্ষিকী পালন উন্মোচিত হলো এস এম পিন্টু ’অনুপ্রেরণা’ গ্রন্থের মোড়ক প্রাথমিকে নির্বাচিত ১৪ হাজার শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু জাফর হায়াতের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী ১১ মে সোমবার ২৩ ও ২৪ মে খোলা থাকবে অফিস জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন করলেন নতুন এসপি মাসুদ মোঃ আলীর হোটেল গেটওয়ে মদ,জুয়া, ইয়াবা ও অসাজামিক কর্মকান্ড সবই চলে দেখার কি দেখার কেউ নেই? বাজেট অধিবেশন ৭ জুন আনোয়ারায় প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামী তবু গ্রেফতার হচ্ছে না

রাজাপুরে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে মানুষের অনিহা প্রকাশ

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ১৪ মে, ২০২৩
  • ১৯৭ বার পড়া হয়েছে

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’। এমন খবরে আতঙ্কিত হলেও আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনিহা প্রকাশ করছেন ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার নদীতীরের মানুষেরা। ভিটেবাড়ি ও গবাদিপশু ছেড়ে যাবেন না বলে নিজ নিজ ঘরেই রয়েছেন এ অঞ্চলের বেশির ভাগ মানুষ। রাজাপুর উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান খান বলেন, উপজেলার ১৬টি স্থায়ী সাইক্লোন শেল্টার খুলে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ৪২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়েছে। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ১টি করে মেডিকেল টিম নামানো হয়েছে। শনিবার রাতে সাড়ে ছয়’শোর অধিক মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাকী মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য বাধ্য করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা বেশ কিছু গবাদিপশু নিরাপদে উঁচু স্থানে স্থানান্তর করেছি। ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত বাড়ার কারণে রোববার (১৪মে) দিনের মধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার জন্য সব ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান এবং স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও। তবে বাসিন্দাদের অনেকেই ঘর ছেড়ে যেতে চাইছেন না। রাজাপুরের চর পালট গ্রামের সত্তরোর্ধ্ব দিলরুবা বেগম বলেন, ‘ছেলে-মেয়েদের বলেছি তিন নাতিকে নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে। আমি ছাগল-গরু নিয়ে বাড়িতেই থাকব। মারা গেলে স্বামীর ভিটাতেই মরব। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, স্বপ্নের আলো ফাউন্ডেশন সহ অনেক সংগঠন জন সচেতনতায় নিম্মাঞ্চলের মানুষের পাশে রয়েছে। অনেকে ব্যাক্তি উদ্দোগেও মাইকিং ও মোম-ম্যাচের কাঠি বিতরণ করেছে। রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলক চন্দ্র রায় বলেন, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ডিউটি অফিসার রয়েছে তারা প্রত্যেক ‘আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া মানুষদের বসতঘরের মালামাল যাতে লুণ্ঠিত না হয়, সেদিকে পুলিশ কড়া নজর রাখবে।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla