1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
বিজয়া দশমী মানেই লাড্ডু , মতিচুর লাড্ডু, তেলের লাড্ডু, বাদামের লাড্ডু, তিলের লাড্ডু নানা ধরনের লাড্ডুর সমাহার দেখা যায় - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এআই সুবিধাসহ এক্স৭ডি স্মার্টফোন নিয়ে আসছে অনার,  বুকিং ৪ অক্টোবর থেকে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের ফ্ল্যাটে দুদকের অভিযান চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন মাহবুবের রহমান শামীম বন্যা কবলিতদের জন্য সাড়ে ৩ লাখ টাকার ঔষধ দিলেন চট্টগ্রামের হাজারী লেইনের ব্যবসায়ীরা Рейтинг найкращих легальних казино України на favbet скачать на телефон 2026 рік в онлайн-форматі. বোয়ালখালীর পোপাদিয়ায় গ্রাম পুলিশ’র উপর হামলা; থানায় ভুক্তভোগীর অভিযোগ চলতি জুলাই মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে চট্টগ্রামে জুলাই হত্যা মামলার আসামি যুবলীগ কর্মী শফিক গ্রেপ্তার ঠান্ডা মিয়ার গরম কথা (৩৬০) চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম সমীপে খোন্দকার মিজবাহ উল আজীম নৌবাহিনী প্রধান হলেন

বিজয়া দশমী মানেই লাড্ডু , মতিচুর লাড্ডু, তেলের লাড্ডু, বাদামের লাড্ডু, তিলের লাড্ডু নানা ধরনের লাড্ডুর সমাহার দেখা যায়

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

দুর্গাপূজা শুধুই পূজা নয়, এটি হলো উৎসব। উৎসব মানেই নানান খাবার-দাবারের আয়োজন। সাত-সতেরো খাবারের আয়োজনে মেতে ওঠে বাড়ি থেকে শুরু করে পূজা মণ্ডপ পর্যন্ত। কেমন হবে পূজার দিনের খাবারগুলো, বলুন তো?

সকালের দিকে দই, চিড়া, মুড়ি, মিষ্টি, খই, নারিকেল এইসব দিয়ে একত্রে একটি খাবার তৈরি করে পরিবেশন করা যেতে পারে। এছাড়াও লুচি, বুটের ডাল, পাঁচ তরকারি সাথে নানা রকমের হালুয়া-এ ধরনের খাবারগুলো হালকার মধ্যে সকালের জন্য বেশ ভালো একটা নাস্তা হতে পারে। তবে অনেকে পূজার সময় মণ্ডপে সকালের প্রসাদ গ্রহণ করে থাকে। সেক্ষেত্রে তাদের নাস্তার পরিকল্পনাটা ভিন্ন থাকে। এছাড়াও পূজাকে কেন্দ্র করে নানা রকম ফল, পাঁচ মিষ্টি ও হরেকরকম সন্দেশ খাওয়ার প্রচলন রয়েছে।

দুপুরের ভোজে নানা ধরনের আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে সবজি পোলাও ও লাবরা খিচুড়ি সবচেয়ে জনপ্রিয় দুর্গাপূজার মধ্যাহ্ন ভোজ হিসাবে। বাসন্তি পোলাও সাথে সয়াবিনের তরকারি খুব জনপ্রিয় দুর্গাপূজার মধ্যাহ্ন ভোজের সময়। এছাড়াও খিরসা, পায়েশ এই ধরনের মিষ্টি জাতীয় খাবারের আয়োজন করা হয়ে থাকে। দুর্গাপূজার সময় মূলত মধ্যাহ্ন ভোজকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এই সময় চেষ্টা করা হয় একটু ভিন্ন ধরনের সুস্বাদু কোনো খাবার তৈরি করার।

রাতের দিকে একটু হালকা খাবারের আয়োজন করাই ভালো। তবে পূজার সময় রাতে যেহেতু বাইরে বেশ অনেকটা সময় ঘোরাঘুরি করা হয়—অনেকেরই পরিকল্পনা থাকে রাতের খাবারটা বাইরে খাওয়ার, বিশেষ করে নবমীর রাত থেকে জম্পেশ বিরিয়ানি খাওয়া হয়ে থাকে বাঙালির। তবে বিভিন্ন মণ্ডপের আশেপাশে দেখা যায় নানা ধরনের পুরি, সিঙ্গারা, ফুচকা, আইসক্রিম এই ধরনের নানারকম স্টল নিয়ে বসার জন্য। তাই রাতে ঘোরাঘুরির ক্ষেত্রে মানুষের এই ধরনের খাবারগুলোই বেশি খাওয়া হয়ে থাকে।

দশমীর খাবারের ক্ষেত্রে একটু ভিন্নতা আসে। বেশির ভাগ হিন্দুদেরই দশমীর দিন ইলিশ মাছ খাওয়ার একটি নিয়ম রয়েছে। তাই সেই প্রথাকে কেন্দ্র করে দশমীর দিন বেশির ভাগ বাসায় ইলিশ মাছ রান্না করা হয়ে থাকে। এছাড়াও সবারই সাথে মিষ্টিমুখের মাধ্যমে বিজয় দশমী উদ্যাপন করা হয়ে থাকে। অনেকের কাছে বিজয়া দশমী মানেই লাড্ডু খাওয়া। মতিচুর লাড্ডু, তেলের লাড্ডু, বাদামের লাড্ডু, তিলের লাড্ডু নানা ধরনের লাড্ডুর সমাহার দেখা যায়।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla