1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ১০ বিমান দুর্ঘটনা - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ১০ বিমান দুর্ঘটনা

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫
  • ৩৬৩ বার পড়া হয়েছে

আকাশপথকে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ পরিবহন মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হলেও, ইতিহাসে কিছু ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা রয়েছে, যেগুলো কেবল প্রাণহানিই নয়, পুরো বিশ্বকে নাড়া দিয়েছিল। কারিগরি ত্রুটি, মানবিক ভুল কিংবা খারাপ আবহাওয়ার কারণে ঘটেছে  এসব মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

এক নজরে দেখে নেয়া যাক বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ১০টি বিমান দুর্ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ।

টেনেরিফে ভয়ংকর বিপর্যয় :

১৯৭৭ সালের ২৭শে মার্চ। ইতিহাসের ভয়ঙ্করতম বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছিল। সেদিন বিকেলে রানওয়েতে দুটি বোয়িং ৭৪৭ বিমানের মধ্যে সংঘর্ষে ৫৮৩ জন যাত্রী নিহত হন। বেঁচে যান ৬১ জন। দুর্ঘটনাটি ‘তেনেরিফে বিপর্যয়’ নামে পরিচিত।
আফ্রিকার পশ্চিম উপকূল সংলগ্ন কানারি দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে বড় দ্বীপ তেনেরিফে। দ্বীপপুঞ্জটি স্পেনের অধীন হলেও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। এই দ্বীপপুঞ্জের আরেক দ্বীপ গ্রান কানারিয়ার লাস পালামাস থেকে বিমান দুটি ওড়ার কথা ছিল। তবে সেখানে সন্ত্রাসী হামলার জেরে সব বিমান ঘুরিয়ে লস রোদেওস বিমানবন্দরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। লস রোদেওস তুলনামূলক ছোট বিমানবন্দর। সেখান থেকে স্থানীয় ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়। তা ছাড়া রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় বিমানের চলাচলও কম ছিল। কনট্রোল টাওয়ারের দায়িত্বে ছিলেন মাত্র দুজন।
আফ্রিকার পশ্চিম উপকূল সংলগ্ন কানারি দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে বড় দ্বীপ তেনেরিফে। দ্বীপপুঞ্জটি স্পেনের অধীন হলেও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। এই দ্বীপপুঞ্জের আরেক দ্বীপ গ্রান কানারিয়ার লাস পালামাস থেকে বিমান দুটি ওড়ার কথা ছিল। তবে সেখানে সন্ত্রাসী হামলার জেরে সব বিমান ঘুরিয়ে লস রোদেওস বিমানবন্দরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। লস রোদেওস তুলনামূলক ছোট বিমানবন্দর। সেখান থেকে স্থানীয় ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়। তা ছাড়া রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় বিমানের চলাচলও কম ছিল। কনট্রোল টাওয়ারের দায়িত্বে ছিলেন মাত্র দুজন।
কেএলএম রয়্যাল ডাচ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট ৪৮০৫ এবং প্যান অ্যামেরিকান ওয়ার্ল্ড এয়ারওয়েজের (প্যান অ্যাম) ফ্লাইট ১৭৩৬ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল সেদিন। কেএলএম বিমান ওড়ার জন্য এগিয়ে যেতে শুরু করলে রানওয়েতে থাকা প্যান অ্যাম বিমানে সরাসরি গিয়ে ধাক্কা মারে। কেএলএম বিমানের ২৩৪ জন যাত্রীর মধ্যে ৫৩টি শিশু ছিল। আর প্যান এম বিমানে ৩৮০ যাত্রী ও ১১ ক্রু ছিলেন। সংঘর্ষে কেএলএমের সব যাত্রী ও ক্রু মারা যান। আর প্যান অ্যাম বিমানের সামনের দিকে বসা ৬১ আরোহী বেঁচে ছিলেন।
কেএলএম রয়্যাল ডাচ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট ৪৮০৫ এবং প্যান অ্যামেরিকান ওয়ার্ল্ড এয়ারওয়েজের (প্যান অ্যাম) ফ্লাইট ১৭৩৬ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল সেদিন। কেএলএম বিমান ওড়ার জন্য এগিয়ে যেতে শুরু করলে রানওয়েতে থাকা প্যান অ্যাম বিমানে সরাসরি গিয়ে ধাক্কা মারে। কেএলএম বিমানের ২৩৪ জন যাত্রীর মধ্যে ৫৩টি শিশু ছিল। আর প্যান এম বিমানে ৩৮০ যাত্রী ও ১১ ক্রূ ছিলেন। সংঘর্ষে কেএলএমের সব যাত্রী ও ক্রূ মারা যান। আর প্যান অ্যাম বিমানের সামনের দিকে বসা ৬১ আরোহী বেঁচে ছিলেন।
বিমানবন্দরের চারপাশে সেদিন আবহাওয়া ছিল খুবই খারাপ। আকাশে মেঘ জমছিল এবং কুয়াশা ক্রমে ঘন হয়ে আসছিল। লাস পালমাস বিমানবন্দর যখন আবার চালু হলো, কন্ট্রোলাররা একটি করে উড়োজাহাজকে দিক নির্দেশ করতে শুরু করেন। আর আবহাওয়াই এই দুর্ঘটনার সব থেকে বড় কারণ বলে মনে করা হয়েছিল।
বিমানবন্দরের চারপাশে সেদিন আবহাওয়া ছিল খুবই খারাপ। আকাশে মেঘ জমছিল এবং কুয়াশা ক্রমে ঘন হয়ে আসছিল। লাস পালমাস বিমানবন্দর যখন আবার চালু হলো, কন্ট্রোলাররা একটি করে উড়োজাহাজকে দিক নির্দেশ করতে শুরু করেন। আর আবহাওয়াই এই দুর্ঘটনার সব থেকে বড় কারণ বলে মনে করা হয়েছিল।

জাপান ফ্লাইট ১২৩ : ১৯৮৫ সালের ১২ আগস্ট ইতিহাসে এককভাবে একটি বিমান দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি যাত্রী নিহত হয়। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাপানের বোয়িং সেভেন ফোর সেভেনের একটি বিমান দেশটির মাউন্ট তাকামাঘারার সঙ্গে ধাক্কা লেগে মাটিতে আছড়ে পড়লে মোট ৫২০ জন যাত্রী নিহত হন। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় ৪ জন নারী যাত্রী।

ভারতের চারকি দাদরিতে বিমান দুর্ঘটনা : ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর ঘটে আরো এক ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা। ভারতের চারকি দাদরি এলাকায়  মধ্য আকাশে  সৌদি আরবের বোয়িং সেভেন ফোর সেভেনের  সঙ্গে কাজাখস্তানের ইলুইশিন টু সেভেনটি সিক্সের সংঘর্ষ হয়। এতে সৌদির ৩১২ জন যাত্রী ও কাজাখস্তানের ৩৭ জন সহ মোট ৩৪৯ জন নিহত হন। ভুল উড্ডয়ন পরিকল্পনা এবং যোগাযোগের অভাবসহ বিভিন্ন কারণের সংমিশ্রণে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এয়ার ফ্রান্স ফ্লাইট ৪৪৭ : ২০০৯ সালে এই এয়ারবাস এ৩৩০ বিমানটি আটলান্টিক মহাসাগরে বিধ্বস্ত হয়, যার ফলে ২২৮ জন আরোহীর সকলেই নিহত হন। এর নেপথ্যে  ভুল এয়ারস্পিড রিডিং এবং পাইলটের ত্রুটি সহ বিভিন্ন কারণ ছিল ।

মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট : ২০১৪ সালে এই বোয়িং ৭৭৭ বিমানটি পূর্ব ইউক্রেনের আকাশে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছিল, এতে ২৯৮ জন আরোহীর সবাই নিহত হয়েছিলেন। গুলি চালানোর কারণ এখনও বিতর্কিত, তবে অনুমান করা হয় যে এটি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত হয়েছে।

এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২ : ১৯৮৫ সালে আয়ারল্যান্ডের উপকূলে এই বোয়িং ৭৪৭ বিমানটিতে বোমা হামলা চালানো হয়, যার ফলে ৩২৯ জন আরোহী নিহত হন। গ্লোবালঅর্ডারের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, বোমা হামলার জন্য একটি সন্ত্রাসী সংগঠন দায়ী ছিল।

টার্কিশ এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ৯৮১ : ১৯৭৪ সালে এই বোয়িং বিমানটি ৭৪৭ প্যারিসের বাইরে বিধ্বস্ত হয়, এতে থাকা ৩৪৬ জন আরোহীর সকলেই নিহত হন। কার্গো ডোরের ব্যর্থতার কারণে বিস্ফোরক ডিকম্প্রেশনের ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আমেরিকান এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ৫৮৭ : ২০০১ সালে  ম্যাকডোনেল ডগলাস MD-82 বিমানটি উড্ডয়নের পরপরই নিউ ইয়র্কের কুইন্সে বিধ্বস্ত হয়।  বিমানে থাকা ২৬০ জন আরোহী  এবং মাটিতে পাঁচজন নিহত হন।  টার্বুলেন্সের সময় অতিরিক্ত রাডার ইনপুট এবং নিয়ন্ত্রণ হারানোর জেরেই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা । সূত্র : বিজনেস টুডে

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla