1. adminbackup@wordpress.org : adminbackup :
  2. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  3. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  4. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ছুটি ঘোষণা বায়েজিদে বাংলা বাজারের গলিতে মাদক বিক্রির অভিযোগ, সন্ধ্যা হলেই বাড়ে আনাগোনা এম,পি সরওয়ার আলমগীরের সাথে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সৌজন্যে সাক্ষাৎ পাহাড়তলীতে আতঙ্কে পরিবার, মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন করে প্রাণনাশের ঝুঁকিতে ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন আবুল বশর আবু বাংলাদেশ ওয়েল ট্যাংকার ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি হলেন আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রাণনাশের ও হেনস্থার হুমকি, থানায় জিডি সোনারগাঁও লালন কারু পণ্যর মেলা শুরু চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল নেতা শাহিনকে ঘিরে পক্ষে-বিপক্ষে অভিযোগ মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার, সংকটে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সমপ্রীতি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও অন্যতম শক্তি – জাহিদুল ইসলাম মিঞা

শুভ মহালয়া

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ৬২৭ বার পড়া হয়েছে
বিপ্লব কান্তি নাথ
‘মহালয়া’ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত উৎস ধরে এর শুভাশুভ বিচার করেন। মহালয়া শব্দটি এসেছে ‘মহৎ আলয়’ থেকে। বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের পুণ্যলগ্ন, শুভ মহালয়া। এ দিন থেকেই শুরু দেবীপক্ষের। শ্রীশ্রী চন্ডীপাঠের মধ্যদিয়ে দেবী দুর্গার আবাহনই মহালয়া হিসেবে পরিচিত। আর এই ‘চন্ডী’তেই আছে দেবী দুর্গার সৃষ্টির বর্ণনা এবং দেবীর প্রশস্তি। শারদীয় দুর্গাপূজার একটি গুরুত্বপর্ণ অনুষঙ্গ হলো এই মহালয়া। পুরাণমতে, এদিন দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে। এ দিন থেকেই দুর্গাপূজার দিন গণনা শুরু হয়। আর এই দিনেই দেবীর চক্ষুদান করা হয়। মহিষাসুরমর্দিনী দেবী দূর্গা সমস্ত অশুভ শক্তি বিনাশের প্রতীক রূপে পুজিত। মহামায়া অসীম শক্তির উৎস। পুরাণ মতে, মহালয়ার দিনে, দেবী দুর্গা মহিষাসুর বধের দায়িত্ব পান। শিবের বর অনুযায়ী কোন মানুষ বা দেবতা কখনও মহিষাসুরকে হত্যা করতে পারবে না। ফলত অসীম ক্ষমতাশালী মহিষাসুর দেবতাদের স্বর্গ থেকে বিতারিত করে এবং বিশ্ব ব্রহ্মা-ের অধীশ্বর হতে চায়। মহালয়ার আর একটি দিক হচ্ছে এই মহালয়া তিথিতে যারা পিতৃ-মাতৃহীন তারা তাদের পূর্বপূরুষের স্মরণ করে তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে অঞ্জলি প্রদান করেন। সনাতন ধর্ম অনুসারে এই দিনে প্রয়াত আত্মাদের মর্ত্যে পাঠিয়ে দেয়া হয়। প্রয়াত আত্মার যে সমাবেশ হয় তাকে মহালয়া বলা হয়। মহালয় থেকে মহালয়া। পিতৃপক্ষেরও শেষদিন এটি। মহালয়ার গুরুত্ব : ত্রেতা যুগে ভগবান শ্রীরামচন্দ্র অকালে দেবিকে আরাধনা করেছিলেন লঙ্কা জয় করে সীতাকে উদ্ধারের জন্য। আসল দুর্গা পূজা হলো বসন্তে, সেটাকে বাসন্তি পূজা বলা হয়। শ্রীরামচন্দ্র অকালে-অসময়ে পূজা করেছিলেন বলে এই শরতের পূজাকে দেবির অকাল-বোধন বলা হয় । সনাতন ধর্মে কোন শুভ কাজ করতে গেলে, বিবাহ করতে গেলে প্রয়াত পূর্বপুরুষরা, যাদের পিতা-মাতা তাদের পিতা-মাতার জন্য, সাথে সমগ্র জীব-জগতের জন্য তর্পণ করতে হয়, কার্যাদি-অঞ্জলিপ্রদান করতে হয়। তর্পণ মানে খুশি করা। ভগবান শ্রীরাম লঙ্কা বিজয়ের আগে এইদিনে এমনই করেছিলেন। সেই অনুসারে এই মহালয়া তিথিতে যারা পিতৃ-মাতৃহীন তারা তাদের পূর্বপুরুষের স্মরণ করে। পূর্বপুরুষের আত্মার শান্তি কামনা করে অঞ্জলি প্রদান করেন। সনাতন ধর্ম অনুসারে এই দিনে প্রয়াত আত্মাদের মর্তলোকে পাঠিয়ে দেয়া হয়। প্রয়াত আতœার যে সমাবেশ হয় তাহাকে মহালয় বলা হয়। বিভিন্ন সূত্রে ও অনেক প-িতের মতামত থেকে জানাযায়, বাংলাদেশের রাজশাহীতে প্রথম দুর্গা পূজার প্রচলন হয়। বাংলাদেশে প্রথম কবে দুর্গা পূজা শুরু হয়,তা নিয়ে নানা মত রয়েছে। কারো কারো মতে, পঞ্চদশ শতকে শ্রীহট্টের (বর্তমান সিলেট) রাজা গণেশ প্রথম দুর্গা পূজা শুরু করেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে কিছু জানা যায় না। তবে বিভিন্ন গবেষকের লেখা থেকে জানা যায়, ১৫৮৩ খ্রিস্টাব্দে রাজশাহীর তাহেরপুর এলাকার রাজা কংস নারায়ণ প্রথম দুর্গা পূজার প্রবর্তন করেন। রাজা কংস নারায়ণ ছিলেন বাংলার বারো ভূঁইঞার এক ভূঁইঞা। লেখক : সংবাদকর্মী, প্রাবন্ধিক
শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla