1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
আবার সেই চির চেনা পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত - পূর্ব বাংলা
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে সাঙ্গুতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসনে সরকার আন্তরিকতার সহিত কাজ করছে- ড. মোহাম্মদ জকরিয়া হুমকি কিংবা উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে সরকারি কাজে বাঁধাগ্রস্ত করবেন না – মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা রাউজানে ট্রাকচাপায় সাবেক ইউপি সদস্য নিহত প্যারিসে গ্যাস বিস্ফোরণে দুই বছরের বাংলাদেশি শিশুর মৃত্যু, আহত ৭ সৌদি আরব গেলেন নৌবাহিনী প্রধান সেপ্টেম্বরেই আড়াই লাখ টন সার আসছে দেশে বাংলাদেশের প্রথম বৃহত্তম অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে রেকর্ড ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন সবজিতে স্বস্তি মিললেও চিনি-ডিম-আটা-মুরগিতে নাভিশ্বাস সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি করছে: জামায়াত আমির

আবার সেই চির চেনা পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৫১ বার পড়া হয়েছে

শাহীন আহমেদ পতেঙ্গা থেকে

করোনা মহামারীতে গত কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর ১৯ আগস্ট থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত।দীর্ঘদিন পর আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত।
পতেঙ্গা সৈকত এলাকা এখন পর্যটকে ঠাসা, অপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে শঙ্কা থাকলেও আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয়রা।

পর্যটনের উপর নির্ভর করে যাদের সংসার চলে, তারা বিগত দিনের ক্ষতি পৌঁষানোর স্বপ্নে বিভোর।
আগামী দিনগুলোতে আর কোনো বিধিনিষেধ আরোপ না হলে, কয়েক মাসের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন বলে মনে করছেন পর্যটক এলাকার শ্রমজীবী লোকগুলো।

সরকারি ছুটির দিনে বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সমুদ্র সৈকতের চিত্র, সাগরের নোনা পানিতে আনন্দে মেতেছেন হাজার হাজার পর্যটক।
কেউ আবার ছবি তুলছেন, কেউ সমুদ্রের ঢেউয়ে পা ভেজাচ্ছেন ও কেউ সমুদ্রের বাতাসে আরাম করে বসে আছেন।পরিবার প্রিয়জন নিয়ে এসেছেন অনেকে।
আশেপাশের হোটেল ও রেস্টুরেন্টসহ পর্যটন এলাকার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ভিড় বেড়েছে।
প্রায় সাড়ে চার মাস পর ১৯ আগস্ট পর্যটক কেন্দ্র গুলো সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

এরপর থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে পর্যটকদের আনাগোনা।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলো উপচে পড়া ভিড় থাকে সাগরতীরে, পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল সৈকতের ফটোগ্রাফার, জেড ফ্লিপ চালক ও হকাররা-দীর্ঘদিন পর হলেও সৈকতে পর্যটক বাড়ায় কিছুটা স্বস্তি এসেছে তাদের মধ্যে।

সৈকতে পর্যটকদের চাপ বাড়ায় মেইন পয়েন্টে পয়েন্টে টহল বসিয়ে নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন টুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তারা।

এদিকে সৈকতে ঘুরে বেড়ানো পর্যটকরা বলছেন, এই মহামারিতে ঘরবন্দি থাকতে আর ভালো লাগছে না, তাই একটু বিনোদনের জন্য এই খোলামেলা জায়গায় আসা।

বিধি নিষেধ শিথিল হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পতেঙ্গা সৈকতে ছুটে এসেছেন অনেকেই।

জামালপুর থেকে সপরিবারে আশা মালেক সাহেব বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে সবকিছু বন্ধ ছিল।অবশেষে সৈকত খুলে দেওয়ার খবর শুনে ছেলে-মেয়েদের একটু ভ্রমণে আনলাম।অনেকদিন পর সৈকতের মুখ দেখে তারা অনেক খুশি।বলতে গেলে আমার ছেলে মেয়েরা বীচ থেকে উঠতে চাচ্ছে না।

পতেঙ্গা সৈকতে কথা হয় ফটোগ্রাফার বিল্লাল হোসেনের সাথে।তিনি বলেন, এতদিন অনেক কষ্টে ছিলাম, এখন অনেক ভালো লাগছে, প্রতিদিন ১০০০ টাকার ওপরে আয় হয়।

এ বিষয়ে কথা হয় পতেঙ্গা সাবজন টুরিস্ট পুলিশ থানার ইনচার্জ ইসরাফিল মজুমদারের সাথে।তিনি পূর্ব বাংলাকে বলেন, পর্যটকদের সব সেবা ও স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিতে আমরা কাজ করছি  । আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে পর্যটকদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে সচেতন করা হচ্ছে। সৈকতে পুলিশ বক্স থেকে সব সময় মাইকিং করে স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla