1. banglapostbd@gmail.com : admin :
  2. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
  3. admin@purbobangla.net : purbabangla :
সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ঃ ভেতরে চলে তাস ও জুয়া ! নেই স্কুলের প্রধান গেইটও - পূর্ব বাংলা
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বৃষ্টিতে ভিজে তেলের অপেক্ষা যশোরের শার্শায় স্মরণকালের জ্বালানি সংকট, জনদুর্ভোগ চরমে চট্টগ্রাম রোটারি সেন্টারের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য সরওয়ার জামান নিজাম পহেলা বৈশাখ বাঙালির অসম্প্রদায়িক উৎসব চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত সাংবাদিককে না পেয়ে গাড়ি পাহারাদারের উপর চড়াও — পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের গুরুতর অভিযোগ সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী হাড্ডি কোম্পানির জায়গা হিসেবে পরিচিত পানওয়ালা পাড়ায় সিডিএর অভিযান যশোরের শার্শায় জাল সনদে চাকরি, তদন্তে ধরা ৩ শিক্ষক চন্দনাইশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রথমবারের মতো সম্মিলিত বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিলন মারামারি ও বিস্ফোরক মামলায় শোন অ্যারেস্ট

সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ঃ ভেতরে চলে তাস ও জুয়া ! নেই স্কুলের প্রধান গেইটও

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২২৯ বার পড়া হয়েছে

 

গেইট নির্মাণ না করেই ব্যাংক থেকে তুলে ঠিকাদার পলাতক

বিশেষ প্রতিনিধি

শ্রেণীকক্ষের জানালাগুলো ভেঙ্গে গেছে, ভাঙ্গাচুরা কাঠের টুকরোর সাহায্যে জোড়াতালি দিয়ে কোনমতে কক্ষ ঢাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবনের দেয়ালগুলোরও নাজুক অবস্থা, পলেস্তার খসে খসে পড়ছে। প্রতি বছর বর্ষায় ভবনের গা ছুয়ে পানি বেশ কয়েকটি কক্ষে প্রবেশ করে বলে জানায় শিক্ষার্থীরা। এখানেই শেষ নয়, আরো অবাক করা বিষয় হচ্ছে এই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকই নেই গত এক বছর ধরে। বলছিলাম চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানাধীন বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের কথা।  প্রায় এক বছর ধরে এই স্কুলে নেই প্রধান গেইট। ফলে স্কুল ছুটির পর বহিরাগতরা স্কুলের ভেতরে প্রবেশ করে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হচ্ছেন এমনকি খোদ শ্রেনীকক্ষের ভেতরেও মাদক ও জুয়া চলে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

নগরের বড়পোলের দক্ষিনে পোর্ট কানেক্টিং সড়কের পাশে বন্দরে অবস্থিত বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯৭৩ সালে স্থাপিত স্কুলটি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

জানা যায়, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অবকাঠামো দিক থেকে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এখানে ৬ষ্ঠ শ্রেনী থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত রয়েছে পাঠদানের ব্যবস্থা। অন্যদিকে স্কুলে প্রায় ৩০০ জন ছাত্র-ছাত্রী পড়ালেখা করলেও তাদের নিরাপত্তা প্রদানে গত এক বছর যাবত নেই স্কুলের প্রধান গেইট। একটা সময় জীর্নশীর্ন ঝং পড়া একটি গেইট থাকলেও বরাদ্ধের পর এটি খুলে ফেলা হয়েছে। আর তাই এখন এক প্রকার খোলা অবস্থাতেই চলছে স্কুলের পাঠদান। ফলে স্কুলে রক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র চুরি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি ব্যাহত হচ্ছে নিরাপত্তা। শুধু তাই নয় স্কুল ছুটির পর এখানে জুয়া ও মাদক সেবনেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়াও স্কুলের সীমানায় চোরাকারবারিরা লোহা এনে স্তুপ করে বলেও জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বহিরাগতরা এখানে প্রবেশ করে জুয়া ও মাদক সেবন করে। তারা আরও বলেন, এগুলো নিয়ে প্রতিবাদ করায় একাধিকবার স্থানীয়দের সাথে বহিরাগতদের হাতাহাতিও হয়েছে। এছাড়াও সেখানে চোরাই মালামাল বোঝাই করে রাখার অভিযোগও করেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, রেলওয়ে থেকে বরাদ্ধ আসায় আগের গেইট খুলে ফেলা হয়েছে। এখানে এক বছর যাবত প্রধান গেইট নেই। আমরা কাজ পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জানালেও তারা সময়মত কাজ না করে দেয়ালের কিছু সীমানা নির্মান করে উল্টো ব্যাংক থেকে বরাদ্ধকৃত টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা কল রিসিভ করছে না। বিষয়টি আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তারা এখনও কোন সুরাহা করতে পারছে না।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla