1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
বন্দরের শতবর্ষী যে গাছগুলো কালের স্বাক্ষী - পূর্ব বাংলা
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে  বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা এনামুল করিমের অঢেল সম্পদ চবি সিনেটে চাটগাঁর ৫ সিংহপুরুষ: স্পিকারের মনোনয়নে উৎসবমুখর পাহাড়ের রাজনীতি! টেকনাফে ৩কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২জন মাদককারবারি আটক কওমি শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ: ফ্রান্সে চার দিনে ৪০ জনের মৃত্যু. সিডিএ’র ২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ! অভিযোগের তীর পিডি রাজিব দাশের দিকে শিশু ক্যান্সার সম্মেলনে যোগ দিতে সাংবাদিক ওসমান গনি মনসুরের মঙ্গোলিয়া যাত্রা  ভূ-রাজনৈতিক সংকট ও দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল বিএসসির জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা” বিশ্ব মেরিটাইম ইতিহাসে এক অনন্য ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টান্ত সিডিএ-তে ১৯৩ কোটি টাকার ভেরিয়েশন প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে অনুমোদন করার মাধ্যমে অর্থ ভাগাভাগি করার জন্য পায়তারা করা প্রসঙ্গে পিডির ব্যাখ্যা

বন্দরের শতবর্ষী যে গাছগুলো কালের স্বাক্ষী

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩২৭ বার পড়া হয়েছে

রায়হান হোসাইন

গাছ স্রষ্টার সৃষ্টির এক অনন্য নিদর্শন আর তাই গাছের সাথে মানুষের সম্পর্কটাও যুগ যুগান্তরের। অপরদিকে গাছ অক্সিজেন ফ্যাক্টরী হিসেবে খ্যাত। চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের ইতিহাস ঐতিহ্যের স্বাক্ষী হয়ে অক্সিজেন, গা জুড়ানো নির্মল বাতাস এবং ছায়া দিতে দাঁড়িয়ে আছে ৬ টি ফুল কড়ই গাছ। বন্দর ভবনের বাম পাশ দিয়ে একটু হেটে গেলেই রাস্তার পশ্চিম পাশে দেখা মিলবে সুবিশাল আকৃতির গাছ ৬টিকে। যা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। কালের সাক্ষী হয়ে থাকা চির সবুজ এ গাছগুলোর আনুমানিক বয়স কালের বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দরের অবসরপ্রাপ্ত  ট্রাফিক কর্মকর্তা বলেন ২৯৭৪ সাল থেকে চাকুরী শুরু আমার এ বন্দরে। গাছগুলোর বয়স শত বছরের উপরে হবে। বন্দরে কর্মরত এক চাকুরিজীবীর কাছে গাছের সাথে বন্দরের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস কী? এমন বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন গাছগুলো বন্দরের সুখ-দুঃখ হাসি কান্না হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসজুড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা কামাল বলেন, আমার বয়স ৬০ এর কাছাকাছি আমি ছোট থেকেই গাছগুলোকে প্রায় একই অবস্থা দেখছি। গাছগুলো আমার জন্মের বহু আগের। তীব্র গরমের মাঝে হাজারো ক্লান্তি নিয়ে পথিক যখন গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নেয় ঠিক তখনি গাছ যেন তার হৃদয় নিংরানো সব প্রশান্তিটুকু বিলিয়ে দিয়ে মুহুর্তেই পথিকের ক্লান্তি দূর করে দেয়। অন্যদিকে এই গাছগুলোকে ঘিরে গড়ে উঠেছে ২০টিরও বেশী ভাসমান দোকানপাট। ছায়াঘেরা এ দোকানের টুলে নির্মল হাওয়ায় চা খেয়ে খোশ গল্পে মেতে ওঠেছেন পথচারীসহ চট্টগ্রাম বন্দর-কাস্টমে আসা সিএন্ডএফ এর কর্মকর্তা কর্মচারীরা। অন্যদিকে গাছের ছায়া থাকায় এসব দোকানিদের দিতে হয় না অতিরিক্ত কোনো ছাউনি।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের যাত্রার শুরু থেকেই অবস্থান গাছগুলোর। যদিও ১৮৭৭ সনে কাঠের একটি জেটি দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল এ বন্দর। পরবর্তীতে ১৯১০ সালে চট্টগ্রাম বন্দরকে স্থায়ী বন্দর হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয় আর তখনই এ ফুল কড়ই গাছগুলো রোপন করা হয় যা আজও কালের সাক্ষী হয়ে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের সামনে মাথা উচু করে ডালপালা মেলে দাঁড়িয়ে আছে। দৃষ্টিনন্দন এ বিশালদেহী গাছগুলো নিঃসন্দেহে যে কারো মনে কেড়ে নেবে এক নিমিষেই। একদিকে যেমন গাছগুলোর কারনে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হচ্ছে অপরদিকে চট্টগ্রাম বন্দরকে অধিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত করে তুলেছে গাছগুলো।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla