1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
বন্দরের শতবর্ষী যে গাছগুলো কালের স্বাক্ষী - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কাপ্তাই তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং: তুলে ধরলেন বর্তমান সরকারের ১ শত ৮০ দিনের সম্পাদিত কার্যক্রম পূর্ব বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জাফর হায়াতের ১১তম মুত্যুবার্ষিকী পালন উন্মোচিত হলো এস এম পিন্টু ’অনুপ্রেরণা’ গ্রন্থের মোড়ক প্রাথমিকে নির্বাচিত ১৪ হাজার শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু জাফর হায়াতের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী ১১ মে সোমবার ২৩ ও ২৪ মে খোলা থাকবে অফিস জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন করলেন নতুন এসপি মাসুদ মোঃ আলীর হোটেল গেটওয়ে মদ,জুয়া, ইয়াবা ও অসাজামিক কর্মকান্ড সবই চলে দেখার কি দেখার কেউ নেই? বাজেট অধিবেশন ৭ জুন আনোয়ারায় প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামী তবু গ্রেফতার হচ্ছে না

বন্দরের শতবর্ষী যে গাছগুলো কালের স্বাক্ষী

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩১৮ বার পড়া হয়েছে

রায়হান হোসাইন

গাছ স্রষ্টার সৃষ্টির এক অনন্য নিদর্শন আর তাই গাছের সাথে মানুষের সম্পর্কটাও যুগ যুগান্তরের। অপরদিকে গাছ অক্সিজেন ফ্যাক্টরী হিসেবে খ্যাত। চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের ইতিহাস ঐতিহ্যের স্বাক্ষী হয়ে অক্সিজেন, গা জুড়ানো নির্মল বাতাস এবং ছায়া দিতে দাঁড়িয়ে আছে ৬ টি ফুল কড়ই গাছ। বন্দর ভবনের বাম পাশ দিয়ে একটু হেটে গেলেই রাস্তার পশ্চিম পাশে দেখা মিলবে সুবিশাল আকৃতির গাছ ৬টিকে। যা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। কালের সাক্ষী হয়ে থাকা চির সবুজ এ গাছগুলোর আনুমানিক বয়স কালের বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দরের অবসরপ্রাপ্ত  ট্রাফিক কর্মকর্তা বলেন ২৯৭৪ সাল থেকে চাকুরী শুরু আমার এ বন্দরে। গাছগুলোর বয়স শত বছরের উপরে হবে। বন্দরে কর্মরত এক চাকুরিজীবীর কাছে গাছের সাথে বন্দরের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস কী? এমন বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন গাছগুলো বন্দরের সুখ-দুঃখ হাসি কান্না হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসজুড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা কামাল বলেন, আমার বয়স ৬০ এর কাছাকাছি আমি ছোট থেকেই গাছগুলোকে প্রায় একই অবস্থা দেখছি। গাছগুলো আমার জন্মের বহু আগের। তীব্র গরমের মাঝে হাজারো ক্লান্তি নিয়ে পথিক যখন গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নেয় ঠিক তখনি গাছ যেন তার হৃদয় নিংরানো সব প্রশান্তিটুকু বিলিয়ে দিয়ে মুহুর্তেই পথিকের ক্লান্তি দূর করে দেয়। অন্যদিকে এই গাছগুলোকে ঘিরে গড়ে উঠেছে ২০টিরও বেশী ভাসমান দোকানপাট। ছায়াঘেরা এ দোকানের টুলে নির্মল হাওয়ায় চা খেয়ে খোশ গল্পে মেতে ওঠেছেন পথচারীসহ চট্টগ্রাম বন্দর-কাস্টমে আসা সিএন্ডএফ এর কর্মকর্তা কর্মচারীরা। অন্যদিকে গাছের ছায়া থাকায় এসব দোকানিদের দিতে হয় না অতিরিক্ত কোনো ছাউনি।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের যাত্রার শুরু থেকেই অবস্থান গাছগুলোর। যদিও ১৮৭৭ সনে কাঠের একটি জেটি দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল এ বন্দর। পরবর্তীতে ১৯১০ সালে চট্টগ্রাম বন্দরকে স্থায়ী বন্দর হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয় আর তখনই এ ফুল কড়ই গাছগুলো রোপন করা হয় যা আজও কালের সাক্ষী হয়ে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের সামনে মাথা উচু করে ডালপালা মেলে দাঁড়িয়ে আছে। দৃষ্টিনন্দন এ বিশালদেহী গাছগুলো নিঃসন্দেহে যে কারো মনে কেড়ে নেবে এক নিমিষেই। একদিকে যেমন গাছগুলোর কারনে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হচ্ছে অপরদিকে চট্টগ্রাম বন্দরকে অধিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত করে তুলেছে গাছগুলো।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla