1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
মিরসরাইয়ের কানু কুমার নাথ: সরকারী দুই প্রতিষ্ঠানে চাকরী করে ২৭ বছরে হাতিয়েছেন কোটি টাকা - পূর্ব বাংলা
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে  বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা এনামুল করিমের অঢেল সম্পদ চবি সিনেটে চাটগাঁর ৫ সিংহপুরুষ: স্পিকারের মনোনয়নে উৎসবমুখর পাহাড়ের রাজনীতি! টেকনাফে ৩কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২জন মাদককারবারি আটক কওমি শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ: ফ্রান্সে চার দিনে ৪০ জনের মৃত্যু. সিডিএ’র ২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ! অভিযোগের তীর পিডি রাজিব দাশের দিকে শিশু ক্যান্সার সম্মেলনে যোগ দিতে সাংবাদিক ওসমান গনি মনসুরের মঙ্গোলিয়া যাত্রা  ভূ-রাজনৈতিক সংকট ও দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল বিএসসির জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা” বিশ্ব মেরিটাইম ইতিহাসে এক অনন্য ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টান্ত

মিরসরাইয়ের কানু কুমার নাথ: সরকারী দুই প্রতিষ্ঠানে চাকরী করে ২৭ বছরে হাতিয়েছেন কোটি টাকা

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪৪৩ বার পড়া হয়েছে

আশরাফ উদ্দিন, মিরসরাই
মিরসরাইয়ের এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে একাধারে দুই সরকারী প্রতিষ্ঠানে প্রতারণার মাধ্যমে চাকরীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তথ্য গোপন রেখে টানা ২৭ বছর ধরে দুই সরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরী করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি টাকা। দুদকের মামলার সুবাধে সাম্প্রতিক এক প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কার করা হলেও বহালতবিয়তে আছেন অন্য প্রতিষ্ঠানে। অভিযুক্ত কানু কুমার নাথ মিরসরাইয়ের ১৫ নংওয়াহেদ পুর ইউনিয়নের খাজুরিয়া গ্রামের নাথ পাড়ার বিনোদ বিহারী নাথের ছেলে।
দুদকের চট্টগ্রাম কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, মিরসরাই উপজেলার কমল দহ খাজুরিয়া গ্রামের নাথ পাড়ার বিনোদ বিহারী নাথের ছেলে কানু কুমার নাথ ১৯৯১ সালে হাটহাজারী উপজেলার ৩ নংমির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হিসেবে চাকুরিতে যোগদান করেন। যোগদানের চার বছরের মাথায় ১৯৯৪ সালের ৫ মে নিয়োগ পেয়ে ৮ মে পার্শবর্তী উপজেলা ফটিকছড়ির হেয়াকো বনানী ডিগ্রি কলেজে বাংলা বিষয়ে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। এর মধ্যে ২০০২ সালের এপ্রিলে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতিও পান কানু কুমার নাথ। তবে তিনি কলেজে নিয়মিত উপস্থিত থাকলেও প্রথম কর্মস্থল মির্জাপুর ইউনিয়নের সচিব পদে অন্য ব্যক্তি তার হয়ে নিয়মিত কাজ করতেন। যার জন্য ওই ব্যক্তিকেও অর্থ প্রদান করতেন কানু কুমার নাথ। তবে সরকারি বেতন-ভাতাসহ সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করতেন তিনি।
দুদক জানায়, তথ্য গোপন করে দুই পদে চাকরি করে আসলেও ২০২১ সালে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরবর্তীতে এ নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগ তদন্ত করে। তদন্তে বিষয়টির সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে কলেজ থেকে বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত হলেও কানু কুমার নাথ ১৯৯৫ সাল থেকে ২০২১ সাল (বরখাস্তাহওয়া) পর্যন্ত দুই স্থান থেকেই সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে কলেজের বেতন বাবদ সরকারি কোষাগার থেকে প্রায় সাড়ে ৫০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন।অপর দিকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও হাটহাজারি মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের বেতন হিসেবে উত্তোলন করেছে নপ্রায় ৪০ লক্ষ টাকা যা দুদক আইনে অপরাধের সামিল।

অভিযুক্ত কানু কুমার নাথের সাথে যোগাগোগ করা হলে, তিনি এলোমেলো কথা বলতে থাকেন। তবে লোভে পড়ে ভূল করেছেন স্বীকার করেন। এছাড়া তিনি জানান আদালতের নির্দেশ মোতাবেক তিনি এখন কোথাও চাকরী করছেন না। তবে হাটহাজারি ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন খান জানান, কানু নাথ ইউপি সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নিয়মিত। তাদের দুইজনের কথায় তারতম্য থাকায় পুনরায় ফোন করা হলে কানু নাথ বলেন, দুদকের মামলার প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন হয়। যেহেতু পূর্ব থেকেই কলেজ কর্তৃপক্ষ বহিষ্কার করেছে তাই তদন্ত কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সচিবের পদটি বহাল রাখা হয়েছে। এমন একটি চিঠি পেয়েই ইউপি কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে গত জানুয়ারীতে ছুটি নিয়ে চলে আসি। আর কর্মস্থলে যাওয়া হয়নি। বিষয়টি পুনরায় নিশ্চিত করতে চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন কে বারবার ফোন করা হলে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
তবে ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, কানু কুমার নাথ এখনো সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla