1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
সোনা চোরাচালান বন্ধ নিয়ে এনবিআর'র সংশয় - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন

সোনা চোরাচালান বন্ধ নিয়ে এনবিআর’র সংশয়

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৩৭২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম সোনা আমদানি শুরুর পর চোরাচালান বন্ধের আশা করা হলেও এখন তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।
৫ ফেব্রুয়ারী শনিবার ঢাকার সেগুনবাগিচার এনবিআর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ইএফডি লটারির ড্র অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সংশয় প্রকাশ করেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, স্বর্ণ আমদানির বিষয়ে আমরা গত দুই বছরে নানাভাবে নীতিসহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি, যাতে স্বর্ণ আমদানি হয়; স্মাগলিং যেন বন্ধ হয়। আমি জানি না- তার পরও কেন স্বর্ণ আমদানিতে তেমন সাড়া দেখা যাচ্ছে না, স্মাগলিংয়েও তেমন ভাটা পড়েনি।
এখনও সোনার বড় বড় চালান ধরা পড়ার ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, গোল্ড স্মাগলিংটাকে ঠেকানো, এটা আমাদের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গোল্ড স্মাগলিংয়ের সঙ্গে শুধুমাত্র দেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা জড়িত নয়, গোল্ড স্মাগলিংয়ের নানাবিধ কারণ আছে। খবর বিডিনিউজের।
মুনিম বলেন, এটার সঙ্গে (চোরাচালান) এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত দেশীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা হয়ত জড়িত নয়। এটার সঙ্গে চোরাচালান করছেন তা নয়। এরসঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে ও বাইরে অনেক অবৈধ ব্যবসায়ী জড়িত।
তিনি মনে করেন, অবৈধ নানা কাজে জড়িতদের পেমেন্টের মাধ্যম গোল্ড হয়। সেই কারণে গোল্ড স্মাগলিং শুধু রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার জন্য, হয়ত তা নয়। সেজন্য হয়ত গোল্ড স্মাগলিং সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা যাবে কি না জানি না। নানাভাবে স্মাগলিং হচ্ছে এটা হচ্ছে বাস্তব বিষয়।
তবে রাজস্ব ভারের কারণে স্মাগলিংয়ের প্রবণতা হচ্ছে কি না সেটাকে আমরা দেখার চেষ্টা করছি, বলেন মুনিম।
আগামী বাজেটে স্বর্ণ আমদানি সহজ করতে আরও কিছু করা যায় কি না, সে বিষয়ে সরকার চিন্তা করবে বলে তিনি জানান।
এর আগে ২০১৮ সালের শেষ দিকে সরকার সোনা আমদানির জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করে। এরপর ২০২০ সালের ৩০ জুন প্রথমবারের মতো ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড প্রথম বারের মতো ১১ কেজি সোনা আমদানি করে। এরপর আর কোনো উদ্যোক্তার স্বর্ণ আমদানির তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির (বাজুস) সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলিপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, বিদেশ থেকে বৈধভাবেই কেউ ব্যাগে করে স্বর্ণ নিয়ে আসলে প্রতি ভরিতে ভ্যাট দিতে হয় মাত্র ২ হাজার টাকা। আর একজন ব্যবসায়ী স্বর্ণ আমদানি করলে ৭ হাজার টাকার ভ্যাট দিতে হয়। এই অসম প্রতিযোগিতার কারণেই দেশে বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানি কম হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। তবে এ পর্যন্ত ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড ১০০ কেজির মতো স্বর্ণ আমদানি করেছে বলে তিনি জানান।
এদিকে অনুষ্ঠানে ইএফডি মেশিনের মাধ্যমে ভ্যাট সংগ্রহের সময় পণ্যের মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্যাট নেওয়ার আহব্বান জানিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, পণ্যের মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট দেওয়া থাকবে। ক্রেতা পণ্য কেনার পর আলাদা করে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla