1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে এসে সর্বস্ব হারিয়েছে প্রেমিক শাহ আলম - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কাপ্তাই তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং: তুলে ধরলেন বর্তমান সরকারের ১ শত ৮০ দিনের সম্পাদিত কার্যক্রম পূর্ব বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জাফর হায়াতের ১১তম মুত্যুবার্ষিকী পালন উন্মোচিত হলো এস এম পিন্টু ’অনুপ্রেরণা’ গ্রন্থের মোড়ক প্রাথমিকে নির্বাচিত ১৪ হাজার শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু জাফর হায়াতের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী ১১ মে সোমবার ২৩ ও ২৪ মে খোলা থাকবে অফিস জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন করলেন নতুন এসপি মাসুদ মোঃ আলীর হোটেল গেটওয়ে মদ,জুয়া, ইয়াবা ও অসাজামিক কর্মকান্ড সবই চলে দেখার কি দেখার কেউ নেই? বাজেট অধিবেশন ৭ জুন আনোয়ারায় প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামী তবু গ্রেফতার হচ্ছে না

কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে এসে সর্বস্ব হারিয়েছে প্রেমিক শাহ আলম

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২২
  • ৪৮৯ বার পড়া হয়েছে

প্রেমিকার কথা বিশ্বাস করে বিপদে পড়ছে প্রেমিক । পুলিশ থেকেও সহযোগিতা পায়নি ওই প্রেমিক ।এই ঘটনা ঘটেছে ফ্রিপোর্টের মুন হোটেলে। গত ২০২০ সালে ১লা নভেম্বরে এই মুন হোটেল থেকে মাদক ও দেহ ব্যবসার অভিযোগে ম্যানেজারসহ ৩ জনকে পুলিশ আটক করে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায় , কুমিল্লা জেলার নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানার কথিত প্রেমিক মোহাম্মদ শাহ্ আলম (২২), পিতা- মোঃ হাসেম মিয়া, মাতা- মোসাম্মৎ আম্বিয়া বেগম, থানা- নবীনগর। সে দীর্ঘ ৫ মাস পূর্বে ভুল নাম্বারে পরিচিত সোনিয়া নামক এক সুন্দরী নারীর সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক ঘটে। এক পর্যায়ে মন দেওয়া নেওয়া থেকে শুরু করে সম্পর্ক গভীরে গিয়ে দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের আলাপ-চারিতার পরে এক পর্যায়ে একে অন্যকে বিয়ে করে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখে কুমিল্লার শাহ্ আলম। শাহ্ আলমের আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকায় এক পর্যায়ে তার কথিত প্রেমিকা শাহ্ আলমকে  চাকুরী পাইয়ে দেবার প্রস্তাব দিলে সে প্রস্তাবে শাহ আলম রাজি হয়।  চাকুরীর জন্য চট্টগ্রামে আসতে অনুরোধ করে। সোনিয়া তার বাসায় বেড়ানোর আমন্ত্রণও জানায়। তার আবদার রাখতে গিয়ে কথিত প্রেমিক শাহ্ আলম কুমিল্লা ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ছুটে আসেন চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায়। এখানে আসার পর প্রেমিকা সোনিয়া ও তার দুলাভাই সম্পর্কিত ব্যক্তিকে নিয়ে ইপিজেড থানা সংলগ্ন বাহাদুর কলোনীর মুখে রেষ্টুরেন্টে আপ্যায়ন শেষে প্রতারক সোনিয়া চক্র সহজ সরল শাহ্ আলমকে নিয়ে চট্টগ্রামের বন্দর থানার ফ্রিপোর্টে অবস্থিত আবাসিক হোটেল মুন এ  গত ২৯ ডিসেম্বর ২১ রাত আনুমানিক ৯.৪৫ মিনিটের সময় ৮শত টাকায় ভাড়ায় ৬ষ্ঠ তলার কেবিনে রুম ভাড়া নেয়। এই সময় সোনিয়া ও তার দুলাভাই শাহ্ আলমকে বাসায় নিতে অপারগতা প্রকাশ করে। আবাসিক হোটেল মুন এ সোনিয়ার দুলাভাইসহ শাহ্ আলমকে থাকার ব্যবস্থা করে।

জানা গেছে,  প্রেমিকা সোনিয়া ও তার দুলাভাই  শাহ্ আলমকে বলেন, আপনার কাছে   টাকা পয়সা, মোবাইল হ্যান্ডসেটসহ মূল্যবান যা আছে আমাকে দিয়ে দেন, হোটেল এগুলো রাখা নিরাপদ নয়।  তার কথায় বিশ্বাস করে সরল মনে প্রেমিক শাহ্ আলম তার কাছে থাকা একটি টেকনো ট্যাপ মোবাইল ও একটি অপো ব্রান্ডের মোবাইল সহ সাথে থাকা নগদে ১৫০০ টাকা প্রেমিকার দুলাভাই এর হাতে তুলে দেন। পরদিন সকাল হতেই প্রেমিকা সোনিয়া ও তার দুলাভাই এর সন্ধান না পেয়ে কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে আসা প্রেমিক শাহ্ আলম হতাশ হয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কলসী দিঘীর ভেতরে একটি বেকারী দোকানে চাকুরীর আশ্বাসে শাহ্ আলম সেখানে রাত্রি যাপন করেন। এরই একদিন পর ৩১ ডিসেম্বর ২১ তারিখে ভুক্তভোগী প্রেমিক শাহ্ আলম রাত প্রায় ৮.৩০ মিনিটের দিকে উপায়ন্তর না পেয়ে বিষয়টি জানিয়ে সুবিচারের আশায় ৯৯৯ এ ফোন করলে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে বন্দর থানার একদল পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে হাজির হয়। পুলিশ শাহ্ আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপর ওই হোটেল এর সিসি টিভির ফুটেজ কিংবা কোন প্রকার জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াই ওই পুলিশরা ফিরে যায়।

এ সময় দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তারা শাহ্ আলমকে বিষয়টি জানিয়ে থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ দেন। শাহ্ আলম বলেন, থানায় কেন জিডি করতে যাব, ৯৯৯ করাওতো বড় ধরনের অভিযোগ। পুলিশ কেন উক্ত হোটেলের সিসি টিভির ফুটেজ কিংবা হোটেলে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের কোন প্রকার জিজ্ঞাসাবাদ করা ছাড়াই ঘটনা স্থল ত্যাগ করেছেন বিষয়টি রহস্যজনক বলে সচেতনমহল মনে করেন। তবে স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে হোটেল মুন এর সাথে প্রশাসনের  সুসম্পর্ক রয়েছে।  এই কারণে এ সমস্ত হোটেল রেস্তোরাগুলোতে প্রতিনিয়ত অসামাজিক কর্মকান্ড থেকে শুরু করে অপরাধীদের আনাগোনা বেড়েই চলেছে। তবে এ বিষয়ে স্থানীয় অভিজ্ঞ মহলের ধারণা, বিষয়টি সুনজরে নিয়ে হোটেল মুন এর সিসি টিভি ফুটেজ চেক করা হলে ভুক্তভোগী শাহ্ আলমের সাথে যে লোকটি হোটেল অবস্থান করে শাহ্ আলমকে হোটেল রুম বুকিং করে দিয়েছিল তাকে চিহ্নিত করতে পারলেই এ সমস্ত প্রতারক অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla