1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
বোয়ালখালীতে আমনের বাম্পার ফলন, ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষক - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কাপ্তাই তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং: তুলে ধরলেন বর্তমান সরকারের ১ শত ৮০ দিনের সম্পাদিত কার্যক্রম পূর্ব বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জাফর হায়াতের ১১তম মুত্যুবার্ষিকী পালন উন্মোচিত হলো এস এম পিন্টু ’অনুপ্রেরণা’ গ্রন্থের মোড়ক প্রাথমিকে নির্বাচিত ১৪ হাজার শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু জাফর হায়াতের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী ১১ মে সোমবার ২৩ ও ২৪ মে খোলা থাকবে অফিস জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন করলেন নতুন এসপি মাসুদ মোঃ আলীর হোটেল গেটওয়ে মদ,জুয়া, ইয়াবা ও অসাজামিক কর্মকান্ড সবই চলে দেখার কি দেখার কেউ নেই? বাজেট অধিবেশন ৭ জুন আনোয়ারায় প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামী তবু গ্রেফতার হচ্ছে না

বোয়ালখালীতে আমনের বাম্পার ফলন, ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষক

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২১
  • ৫৪৬ বার পড়া হয়েছে

বাবর মুনাফ

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে এবার আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। গত দু’দিন ধরে আকাশে মেঘ দেখা দেওয়ায় দম ফেলার ফুসরত নেই তাদের।  উপজেলার বিভিন্ন মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, চাষীদের ধান কাটা এবং ঘরে তোলার দৃশ্য। তবে এখনো অনেক ক্ষেতের ধান পাকেনি। আগামী ১০/১৫ দিনের মধ্যে সব ধান উঠে যাবে বলে জানান কৃষকরা। এবার আমন মৌসুমে ধানের ফলন হয়েছে সেই রকম। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ধান ঘরে তুলতে সমস্যা হবে না বলেও জানিয়েছেন তারা।

আমুচিয়া এলাকার কৃষক নিপুল দাস জানান, এবছর তিনি নিজের ২ একর জমিতে আমন লাগিয়েছেন। প্রতি একর ধান চাষে তাঁর খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। ফলন ভালো হওয়ায় খরচ পুষিয়ে লাভ হবে বলে আশা করছেন তিনি। একই কথা জানিয়েছেন জ্যৈষ্ঠপুরা এলাকার কৃষক মো. শহীদ, মো. ইছহাক ও আহমদুর রহমান। তবে উত্তর সারোয়াতলী এলাকার কৃষক মো. ইউসুফ মিয়া বলেন, ধানের ফলন ভালো হলেও চাষে ট্রাক্টর, সার ও মজুরি খরচ বেশী বেড়ে গেছে। তাই চাষাবাদে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালখালীতে এবার আমনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ হাজার ৭ শত ৫০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে ১ হাজার ১ শত ২১ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের ব্রি ৩৯,৪৯,৮৭ ও স্থানীয় পাইজাম জাতের ধান লাগানো হয়েছে। কৃষকদের তৎপরতা, সঠিক পরিচর্যা ও উপ- সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সঠিক পরামর্শে ফলন বৃদ্ধি হয়েছে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আতিক উল্লাহ। কৃষকদের মধ্যে আগাম ধান চাষের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে খরচ কম, অল্প সময়ে লাভবান হওয়া যায়। অতি বৃষ্টির ফলে ফসলের কিছুটা ক্ষতি হলেও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে জানান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla