1. banglapostbd@gmail.com : admin :
  2. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
  3. admin@purbobangla.net : purbabangla :
নওগাঁর সাপাহারে আমের বাজার জমলেও দামে সন্তুষ্ট নয় চাষীরা - পূর্ব বাংলা
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন

নওগাঁর সাপাহারে আমের বাজার জমলেও দামে সন্তুষ্ট নয় চাষীরা

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১
  • ৬২১ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁ প্রতিনিধি

উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ আম বাজার নওগাঁ জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা সাপাহার। ইতিমধ্যে নানান জাতের আম কেনা বেচার মধ্যে দিয়ে বিস্তীর্ন এলাকা জুড়ে জমে উঠেছে আমের বিশাল হাট। মৌসুমের শুরু থেকে আমের দাম তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় অনেকটা বিপাকে পড়েছেন আম বিক্রেতারা। গত বছরের তুলনায় এ বছরে আমের উৎপাদন যেমন বেশি ঠিক তেমনিভাবে আমের বাজার মূল্য অনেকটা কম বলে অভিযোগ আমচাষীদের। চলতি বছরে এই উপজেলায় ৯হাজার হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লক্ষ মেট্রিক টন। প্রায় ১৫ শত কোটি টাকার আম বানিজ্য হতে পারে এই উপজেলার আমবাজার থেকে। কিন্তু চলমান সময়ে আমের বাজারদর নিম্নমূখী হবার ফলে আম চাষীদের মনে হতাশার বীজ বপন হয়েছে।

আজ বৃহষ্পতিবার সকাল থেকে সরেজমিনে আমবাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে সারি সারি ভ্যানের উপর নানা জাতের আমের পসরা নিয়ে বসে আছেন আম বিক্রেতারা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য জাত হলো ল্যাংড়া, নাগফজলী, হিমসাগর, আম্রপালি অন্যতম। আম কেনার জন্য বাইরের ব্যাপারী থাকলেও ক্রেতারা পাচ্ছেন না ন্যায্য মূল্য। প্রতি মণ ল্যাংড়া বিক্রয় হচ্ছে ৮শ থেকে ১২শ, নাগফজলী ১ হাজার থেকে ১২শ’, হিমসাগর ১৫ শ’- ১৭শ , আম্রহালী ২ হাজার থেকে ২৪শ টাকা।

চলতি বাজার মূল্য তুলনামূলকভাবে অনেক কম বলছেন আম বিক্রেতারা। জেলার বিখ্যাত জাতের আম আম্রপালি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত সময়  ২২জুন আম্রপালী জাতের আম বাজারজাত করার নির্দেশনা রয়েছে। তবে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের অনুমতিক্রমে পরিপক্ক আম বাজারজাত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিস। গত বছরে আম্রপালি জাতের আম সন্তোষজনক মূল্যে বিক্রয় হয়েছে। কিন্তু চলতি বছরের শুরুতেই এই প্রজাতির আমের বাজার মূল্য দেখে অনেকটা হতাশ আম বিক্রেতারা। আম বিক্রয় করতে আসা আমচাষী সিহাব উদ্দীন জানান, প্রায় ১০মণ ল্যাংড়া আম বিক্রয় করতে এসেছি। আমার আমের কালার একটু খারাপ থাকার জন্য প্রতি মণ আম বিক্রয় করলাম সাড়ে ৭ শ’ টাকা । অথচ এই জাতের আম গত বছরে ২৪/২৫ শ টাকা দরে বিক্রয় করেছি। এভাবে বাজারদর কম থাকলে আমরা চাষীরা সার বিষের দোকানের বাঁকী পরিশোধ কিভাবে করবো আর সংসার চালাবো কিভাবে? অপর আম বিক্রেতা হাবিবুর রহমান বলেন, এই বছরে আমের দাম নেই। কম আম বিক্রি করতে আসলে অনেক সময় ভ্যান ভাড়া দিতেই সমস্যা হয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে চলতি বছরে আমের বাজার দর না বাড়লে কৃষকেরা অনেকটা ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে বলে মনে করছেন এলাকার অভিজ্ঞমহল।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla