1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
১ বার সীলগালা ৩ বার জরিমানা তবু চলছে পান্না পাড়ায় পরিবেশ বিধ্বংসী কয়েল ফ্যাক্টরী - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দাপ্তরিক ছুটির দিনেও নগর উন্নয়নে সক্রিয় চউক চেয়ারম্যান, ব্যক্তিগতভাবে তদারকি বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা ও পেশাদারিত্বের ক্ষমতায়নের দাবি আলমগীর নূরের সেচ্চাসেবক লীগ নেতা বাবলা দেবনাথের ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে পটিয়ায় ৭০ বছরের বৃদ্ধা শিক্ষিকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি ও প্রাণনাশের হুমকি কুয়েত গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের উদ্দোগে ফাতেহা ইয়াজদাহুম, মাসিক খতমে গেয়ারবি শরীফ ও দোয়া মাহফিল দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের শাহ আলমই কি বড়লিয়া বিএনপির নতুন মুখ? বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০পরিবারের মাঝে কারিতাসের নগদ অর্থ বিতরণ এফআইএসটির গাড়ী চালকের মারধরের শিকার ফরেস্ট একাডেমির বেয়ারা ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২২ শে সেপ্টেম্বর ​ গণতন্ত্র কি শুধু ভোট দেওয়ার নাম?

১ বার সীলগালা ৩ বার জরিমানা তবু চলছে পান্না পাড়ায় পরিবেশ বিধ্বংসী কয়েল ফ্যাক্টরী

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি

চোখে পানি আসে এমন কয়েলে চট্টগ্রামের বাজার সয়লাভ হয়ে গেছে।ধোঁয়ায় চোখ জ্বলে ঘরময় ধোয়াচ্ছন্ন হয়ে যায়।এসব কয়েলের উপর মশা বসে থাকে তবু মশা মরে না।কয়েলের ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও ফুসফুসের অসুখ হচ্ছে অনেকের। এছাড়া ক্যান্সার এবং কিডনি রোগের ঝুঁকিও তৈরি হয় এসব কয়েল ব্যবহারে। সেই সঙ্গে মানুষের চোখ এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও তৈরি হয়।

ডবলমুরিং থানার আগ্রাবাদ পান্না পাড়ায় জনৈক মামুন এই কয়েল ফ্যাক্টরীর মালিক ।পাশে রয়েছে তার ভেজাল ঘি ফ্যাক্টরীও ।এই ফ্যাক্টরীতে কয়েকটি কোম্পানীর কয়েল বানানো হয়। মুটোফোনে কয়েল ফ্যাক্টরী কথা বলতেই মামুন মালিক দাবী করে ভরাকণ্ঠে বলেন ১ বার সীলগালা ৩ বার জরিমানা করা হয়েছে তবু এখনো চলছে।আপনি সাংবাদিক এসব খবর নিয়ে লাভ কী।আপনার কাজ রিপোর্ট করা।আপনি রিপোর্ট করুন আমি ওয়েলকাম জানাব।

আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পান্না পাড়া এলাকায় বস্তি সংলগ্ন একটি নিরিবিলি বিশালাকার একটি ঘরে আলোচিত এই কয়েল ফ্যাক্টরী।এই ফ্যাক্টরীর বৈধ কোন কাগজ পত্র নেই যদিও মামুন বলছে সব কাগজপত্র তার আছে।কিন্তু সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সকলের সাথে মামুনের সম্পর্ক রয়েছে বিষয়টি সে নিজেই স্বীকার করছে।ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক জসিমের সাথে মামুনের গলায় গলায় ভাব।ফায়ার সনদসহ পরিবেশ অধিদপ্তর, বিএসটিআইসহ সব কাগজপত্র তার রয়েছে।তবে এসব কাগজপত্র কাউকে দেখাতে তিনি রাজী নয়।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, এখানে অল্প শিক্ষিত কিছু ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক লোক বিসাক্ত ক্যামিকেল মিশিয়ে কয়েল বানাচ্ছে ।ক্যামিক্যালের নামও জানে না শ্রমিকেরা।অথচ বিশেষজ্ঞ ক্যামিষ্টদের সার্বিক তত্তাবধানে এসব ক্যামিকাল পরিমাণ মতো মিশিয়ে কাজ করারই কথা।

বিএসটিআই’র নামে ১ ব্যাক্তি মামুনের সাথে মাসে মাসে যোগাযোগ করে থাকে।অলি উল্লাহ পাঠোয়ারী নামক পুলিশ পরিচয়ে ১ ব্যাক্তি এই ফ্যাক্টরীতে মোটরসাইকেল নিয়ে যোগাযোগ করে থাকে। সকল বৈধ কাগজ পত্র ও সরকারী ভ্যাট, টেক্স দিচ্ছে  এমনসব প্রতিষ্ঠানের  উৎপাদিত কয়েল ও ভেজাল ঘি এখানে তৈরী করে বৈধ ব্যবসায়ীদের পথে বসিয়ে দিচ্ছে এই ভেজাল কারখানাগুলো।এসব কী দেখার কেউ নেই ?

 

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla