1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
১ বার সীলগালা ৩ বার জরিমানা তবু চলছে পান্না পাড়ায় পরিবেশ বিধ্বংসী কয়েল ফ্যাক্টরী - পূর্ব বাংলা
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে  বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা এনামুল করিমের অঢেল সম্পদ চবি সিনেটে চাটগাঁর ৫ সিংহপুরুষ: স্পিকারের মনোনয়নে উৎসবমুখর পাহাড়ের রাজনীতি! টেকনাফে ৩কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২জন মাদককারবারি আটক কওমি শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ: ফ্রান্সে চার দিনে ৪০ জনের মৃত্যু. সিডিএ’র ২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ! অভিযোগের তীর পিডি রাজিব দাশের দিকে শিশু ক্যান্সার সম্মেলনে যোগ দিতে সাংবাদিক ওসমান গনি মনসুরের মঙ্গোলিয়া যাত্রা  ভূ-রাজনৈতিক সংকট ও দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল বিএসসির জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা” বিশ্ব মেরিটাইম ইতিহাসে এক অনন্য ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টান্ত সিডিএ-তে ১৯৩ কোটি টাকার ভেরিয়েশন প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে অনুমোদন করার মাধ্যমে অর্থ ভাগাভাগি করার জন্য পায়তারা করা প্রসঙ্গে পিডির ব্যাখ্যা

১ বার সীলগালা ৩ বার জরিমানা তবু চলছে পান্না পাড়ায় পরিবেশ বিধ্বংসী কয়েল ফ্যাক্টরী

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩২৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি

চোখে পানি আসে এমন কয়েলে চট্টগ্রামের বাজার সয়লাভ হয়ে গেছে।ধোঁয়ায় চোখ জ্বলে ঘরময় ধোয়াচ্ছন্ন হয়ে যায়।এসব কয়েলের উপর মশা বসে থাকে তবু মশা মরে না।কয়েলের ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও ফুসফুসের অসুখ হচ্ছে অনেকের। এছাড়া ক্যান্সার এবং কিডনি রোগের ঝুঁকিও তৈরি হয় এসব কয়েল ব্যবহারে। সেই সঙ্গে মানুষের চোখ এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও তৈরি হয়

ডবলমুরিং থানার আগ্রাবাদ পান্না পাড়ায় জনৈক মামুন এই কয়েল ফ্যাক্টরীর মালিক ।পাশে রয়েছে তার ভেজাল ঘি ফ্যাক্টরীও ।এই ফ্যাক্টরীতে কয়েকটি কোম্পানীর কয়েল বানানো হয়। মুটোফোনে কয়েল ফ্যাক্টরী কথা বলতেই মামুন মালিক দাবী করে ভরাকণ্ঠে বলেন ১ বার সীলগালা ৩ বার জরিমানা করা হয়েছে তবু এখনো চলছে।আপনি সাংবাদিক এসব খবর নিয়ে লাভ কী।আপনার কাজ রিপোর্ট করা।আপনি রিপোর্ট করুন আমি ওয়েলকাম জানাব।

আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পান্না পাড়া এলাকায় বস্তি সংলগ্ন একটি নিরিবিলি বিশালাকার একটি ঘরে আলোচিত এই কয়েল ফ্যাক্টরী।এই ফ্যাক্টরীর বৈধ কোন কাগজ পত্র নেই যদিও মামুন বলছে সব কাগজপত্র তার আছে।কিন্তু সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সকলের সাথে মামুনের সম্পর্ক রয়েছে বিষয়টি সে নিজেই স্বীকার করছে।ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক জসিমের সাথে মামুনের গলায় গলায় ভাব।ফায়ার সনদসহ পরিবেশ অধিদপ্তর, বিএসটিআইসহ সব কাগজপত্র তার রয়েছে।তবে এসব কাগজপত্র কাউকে দেখাতে তিনি রাজী নয়।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, এখানে অল্প শিক্ষিত কিছু ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক লোক বিসাক্ত ক্যামিকেল মিশিয়ে কয়েল বানাচ্ছে ।ক্যামিক্যালের নামও জানে না শ্রমিকেরা।অথচ বিশেষজ্ঞ ক্যামিষ্টদের সার্বিক তত্তাবধানে এসব ক্যামিকাল পরিমাণ মতো মিশিয়ে কাজ করারই কথা।

বিএসটিআই’র নামে ১ ব্যাক্তি মামুনের সাথে মাসে মাসে যোগাযোগ করে থাকে।অলি উল্লাহ পাঠোয়ারী নামক পুলিশ পরিচয়ে ১ ব্যাক্তি এই ফ্যাক্টরীতে মোটরসাইকেল নিয়ে যোগাযোগ করে থাকে। সকল বৈধ কাগজ পত্র ও সরকারী ভ্যাট, টেক্স দিচ্ছে  এমনসব প্রতিষ্ঠানের  উৎপাদিত কয়েল ও ভেজাল ঘি এখানে তৈরী করে বৈধ ব্যবসায়ীদের পথে বসিয়ে দিচ্ছে এই ভেজাল কারখানাগুলো।এসব কী দেখার কেউ নেই ?

 

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla