1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
সীতাকুণ্ডের  এয়াকুবনগরে ছড়ার বাঁধেই আটকে আছে কৃষি ও পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন - পূর্ব বাংলা
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বোদায় নিম্নমানের ইটের কাজ ঠেকাতে গিয়ে হুমকির অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ বান্দরবান-কেরানীহাট মহাসড়কের দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা, দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে জনসাধারণ সিডিএ চেয়ারম্যানকে আনোয়ারা ফাউন্ডেশন নেতৃবৃন্দের স্মারকলিপি ওসি জাহেদুল কবির পিপিএম পদকে ভুষিত হলেন এবার বান্দরবানে এনসিপি নেতা মিজানুর রহমান আখন্দের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা পুলিশ সদস্যকে গাড়িতে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি !আসামি গ্রেপ্তার রন্ধ্রে রন্ধ্রে নিয়ন্ত্রণহীন দূর্নীতি, রুখবে কে ? দাপ্তরিক ছুটির দিনেও নগর উন্নয়নে সক্রিয় চউক চেয়ারম্যান, ব্যক্তিগতভাবে তদারকি বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা ও পেশাদারিত্বের ক্ষমতায়নের দাবি আলমগীর নূরের সেচ্চাসেবক লীগ নেতা বাবলা দেবনাথের ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে

সীতাকুণ্ডের  এয়াকুবনগরে ছড়ার বাঁধেই আটকে আছে কৃষি ও পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ১২ মে, ২০২৩
  • ২২৯ বার পড়া হয়েছে
Exif_JPEG_420

 

মোঃ নাছির উদ্দিন, সীতাকুণ্ড

সীতাকুণ্ড পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের অর্ন্তগত পাহাড়ের কোল ঘেঁষে আবাদি ফসলের সবুজ বিপ্লব আর গাছ-গাছালির অপরুপ দৃশ্যের শান্তিপ্রিয় এলাকাটি এয়াকুবনগর। এলাকাটির পূর্বাংশে অগনিত পাহাড়ের বুক ছিঁড়ে আসা ছোট-বড় অসংখ্য পাহাড়ি ছড়ার মিলন মোহনায় ঝর্ণা প্রবাহ হতে সৃষ্ট জলধারা ছড়াটির সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। নয়নাভিরাম ছড়াটির উৎপত্তি ভাঁজে ভাঁজে অগনিত পাহাড়ের বিশাল গভীরতায় আর সমাপ্তি ঘটেছে নুনাছড়া খালে। ছড়ার স্বচ্ছ পানি ও পাহাড়ের গা গেঁষে নেমে আসা ঝর্ণাধারা যেন প্রকৃতির মায়াবি কণ্যা। বার মাস প্রবাহিত প্রকৃতির মায়াবি ছড়া ও ঝর্ণা‘কে ঘিরেই দেখা দিয়েছে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা, সেচ প্রকল্প ও মৎস্য চাষ সহ সুপেয় খাবার পানির সু-ব্যবস্থা। অসংখ্য চেনা-অচেনা পাখির কলকাকলিতে মুখরিত পাহাড়ি ঝর্ণাসহ ছড়ার সৌন্দর্যে ভ্রমণপ্রেমীদের দীর্ঘ হেঁটে আসার ক্লান্তি যেন মহুর্তেই দুর হয়ে যায়। উপরের টিলায় উঠলে দেখা যাবে দু‘দিকে পাহাড়ঘেরা বিশাল জলধারা সহ ঝর্ণা। মূলত প্রবাহমান ছড়ার পানি আটকে প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্টি হয়েছে এ বিশাল হৃদ ও ঝর্ণা। ঝর্ণার শীতল পানিতে নিজেকে ভিজিয়ে নেয়ার পাশাপাশি অপরুপ সৌন্দর্য উপভোগ করেন আগত দর্শনার্থীরা। নুনাছড়ার বাসিন্দা মোঃ আবুল হাসেম চৌধুরী জানান, ছড়ার পানি কৃষিকাজে ব্যবহার করা নিয়ে ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি এলাকার চাষীদের লালিত স্বপ্ন। কিন্তু সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোন সহায়তা না পাওয়ায় এলাকার চাষীদের সেই স্বপ্ন আজও আলোর মূখ দেখেনি। তিনি কৃষকদের স্বপ্নের বাস্তবায়নে সরকারী সহায়তা একান্ত কামনা করেন। সীতাকুÐ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, সুবিধাজনক স্থানে মীরসরাই এর মহামায়া কিংবা ২নং বারৈয়াঢালার সহ¯্রধারা প্রকল্পের মতো ছড়ায় বাঁধ দিয়ে পানি সংরক্ষণ করা হলে শুষ্কমৌসুমে প্রায় ২ হাজার কৃষক এ পানি কৃষি কাজে ব্যবহার করতে পারবে। ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ দিলদার হোসেন, কাজী ছালাউদ্দীন এবং কাদের ভূঁইয়া পাড়ার চাষী নূরুল হুদা, আবুল বশর ও শাহজাহান ভূঁইয়া জানান, দু‘পাশে বসবাসকারী পরিবার ও কৃষকদের দীর্ঘদিনের দাবী সরকারী অর্থায়নে ছড়ার যে কোন সুবিধাজনক স্থানে বাঁধের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ করা হলে এলাকায় সুপেয় খাবার পানির চাহিদা পূরণ হবে। তাছাড়া মৎস্য প্রকল্প ও পর্যটন সহ হাজারো একর অনাবাদী কৃষি জমি ফসলি ভূমির আওতায় আসবে। এলাকায় দেখা দিবে কৃষি বিল্পব। ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব মাইমুন উদ্দিন মামুন জানান, ঝর্ণা সহ ছড়াটি এতই সুন্দর যে, স্ব-চোখে না দেখে বাহির থেকে কেউ কল্পনাও করতে পারে না। চারপাশে পাহাড়ের সবুজ-শ্যামল পরিবেশ ছড়ার জমাট বাঁধা জলাধার ও ঝর্ণা‘কে করেছে নয়নাভিরাম। তিনি আরো জানান, পর্যটন শিল্প ছাড়াও বাঁধ দিয়ে ছড়ার পানি সংরক্ষণ করে সুষম বন্টনের মাধ্যমে পৌরসভার ১, ২ ও ৬নং ওয়ার্ডের হাজার হাজার কৃষক শুষ্কমৌসুমে এ পানি কৃষি কাজে ব্যবহার করতে পারবে। তাতে ছড়ার দু‘পাশের বিশাল এলাকায় দেখা দিবে উৎপাদিত ফসলের সবুজ বিপ্লব। তিনি আরো জানান, পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এলাকায় হস্তচালিত নলকূপগুলো প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছে। আর গভীর নলকূপগুলোতে উঠছেনা পর্যাপ্ত পানি। ছড়ায় বাধেঁর মাধ্যমে সুপেয় পানির চাহিদা পূরন সহ বিপর্যয়ের মুখে থাকা কৃষিখাত আবারও সতেজ হয়ে উঠবে। এলাকায় চাষাবাদে ভূ-উপরিভাগের স্বাভাবিক পানি মিলছে না বলে খরা পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারী অর্থায়নে ছড়ার যে কোন সুবিধাজনক স্থানে বাধেঁর মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ ও সুষম ব্যবহারের উপর নির্ভরতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বন বিভাগের আওতাধিন এলাকায় অবস্থিত ছড়াটি কয়েক দফা পরিদর্শন ও জরিপ শেষে স্কেচ ম্যাপ সহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দপ্তরে প্রেরণ করেছেন তারা। প্রকল্পটি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়েছেন বলে জানান উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla