1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
আদালতে মামলা : ডাকাতির আদলে বোয়ালখালীতে ৪ গরু চুরি - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কাপ্তাই তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং: তুলে ধরলেন বর্তমান সরকারের ১ শত ৮০ দিনের সম্পাদিত কার্যক্রম পূর্ব বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জাফর হায়াতের ১১তম মুত্যুবার্ষিকী পালন উন্মোচিত হলো এস এম পিন্টু ’অনুপ্রেরণা’ গ্রন্থের মোড়ক প্রাথমিকে নির্বাচিত ১৪ হাজার শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু জাফর হায়াতের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী ১১ মে সোমবার ২৩ ও ২৪ মে খোলা থাকবে অফিস জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন করলেন নতুন এসপি মাসুদ মোঃ আলীর হোটেল গেটওয়ে মদ,জুয়া, ইয়াবা ও অসাজামিক কর্মকান্ড সবই চলে দেখার কি দেখার কেউ নেই? বাজেট অধিবেশন ৭ জুন আনোয়ারায় প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামী তবু গ্রেফতার হচ্ছে না

আদালতে মামলা : ডাকাতির আদলে বোয়ালখালীতে ৪ গরু চুরি

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ২১৭ বার পড়া হয়েছে

বোয়ালখালীতে ৪টি গরু চুরি হয়েছে।চৌধুরী এগ্রো ফার্ম থেকে ১২অক্টোম্বর ‘২২ মধ্য রাত চোরের দল বাছুরসহ ৪টি গরু নিয়ে যায়।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা মামলা না নিলে চট্টগ্রাম বিজ্ঞ জুডিশিয়াল আদালতে মামলা রুজু করা হয়।মামলা নং  ৪২২/ ২০২২ (বোয়ালখালী)।ফার্মের ম্যানেজার মোঃ সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন।খবর নির্ভরযোগ্য সুত্রের।

খবর নিয়ে জানা গেছে, চৌধুরী এগ্রো ফার্মের ২ কর্মচারী ভোলা জেলার লালমোহন থানার  মোঃ মোস্তফার ছেলে মোঃ আবুল কাশেম (৪২) ও একই এলাকার আলী মিয়া খানের পুত্র মোঃ আবুল কাশেম (৫১) এর যোগসাজশে গরুগুলো চুরি হয়।দুই কর্মচারীর নাম একই হলেও বয়স ও পিতার নাম ভিন্ন ।বাদীর মামলায় উল্লেখ করেন ওই চুরি হওয়া গরুর আনুমানিক মূল্য ৭ লাখ টাকা।বর্তমানে চৌধুরী এগ্রো ফার্মে ৩৮টি  গরু রয়েছে।

এই গরু চুরির ঘটনা জানাজানি হলে অপরাপর এগ্রো ফার্ম মালিকগণের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ছে।জেলার বিভিন্ন উপজেলায়ও ডাকাতদল ফার্মের কর্মচারী ও ক্ষেত্রবিশেষে স্হানীয় ডাকাত ও চোরের সাথে যোগসাজশে গরু চুরির ঘটনা ঘটছে।

আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গভীর রাতে গোয়াল ঘর কিংবা ফার্ম  থেকে গরু চুরি করে নম্বরবিহীন ট্রাক, চাঁদের গাড়ি, পিকাপ, সিএনজিতে উঠিয়ে নিয়ে যায় চোরেরা। আর এসব ঘটনায় খুব কম সংখ্যক মামলা রেকর্ডভুক্ত হয়। অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রতিকার পাবেন না এ আশংকা বা পুলিশি হয়রানির ভয়ে থানায় অভিযোগও দেন না। ফলে চোরের দল পার পেয়ে যাচ্ছে নির্বিঘ্নে।
পুলিশের নজরদারির অভাব আর রাত্রিকালীন টহল না থাকার কারণে চুরি ঠেকানো যাচ্ছে না বলে অনেকের অভিযোগ। সংঘবদ্ধ চোরের দল নানা কৌশলে চুরি করে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়,  কৃষি নির্ভর পরিবারগুলো গরু দিয়ে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে। আর গরু চোরেরা যখন এসব মূল্যবান গরু চুরি করে নিয়ে যায় তখন হতদরিদ্র এসব পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে পড়ে।রাতের বেলায় যেসব সড়কে আলো থাকে না কিংবা অনেকটা নির্জন ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশি উন্নত বিশেষ করে সে সব এলাকায় চুরির ঘটনা বেশি ঘটছে।

ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক ব্যক্তি জানান, গরুর ঘর থেকে রশি কেটে অথবা খুলে গরু গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। রাতে গাড়ির ভেতরে গরু দেখলে আটক করতে ভয় পায় জনতা। কারণ পুলিশি হয়রানির শিকার হতে হয়। ফলে কাউকে আটক করা হয় না। যে কারণে সহজে পার পেয়ে যায় সংঘবদ্ধ চোরের দল।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla