1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার বাদী যখন বিচারক - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  জসিম উদ্দিন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান  সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত সংবর্ধিত ইবিএল চেয়ারম্যান শওকত আলীর বিরুদ্ধে ২৫ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ দুদকের জন্য বরাদ্দ ১৯৭ কোটি টাকা চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস এসোসিয়েশনের বাজেট বিবৃতি সিডিএ’র চেয়ারম্যান হলেন ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন ‘জীবন ও কর্ম’ নিয়ে আলোচনা সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন  মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত চট্টগ্রামের তারকা সাংবাদিক, দেশ ও জাতির অহংকার  চকবাজার ব্লাড ডোনার’স ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সিএমপির তিন পুলিশ পরিদর্শককে বদলি

পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার বাদী যখন বিচারক

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩২৩ বার পড়া হয়েছে

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলা দায়ের, মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় অভিযোগে দুই পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন ও সুবীর পালের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল দেবের আদালতে মামলার আবেদন করেন শিশু আদালত এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ চট্টগ্রামের বিচারক ফেরদৌস আরা।বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতে বেঞ্চ সহকারী সৈয়দ নুর -এ-খোদা।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দুইটি সোনার বার পাচারের অভিযোগে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকার বাটারফ্লাই পার্ক থেকে মো. নাজমুল হাসান জুয়েল নামে এক শিশুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় পরের দিন ওই শিশুর বিরুদ্ধে এসআই আনোয়ার হোসেন বাদি হয়ে সোনার বার পাচারের মামলা করে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় পতেঙ্গা থানার এসআই সুবীর পাল।

তদন্ত শেষে শিশু নাজমুলকে অভিযুক্ত করে একই বছরের ৩ অক্টোবর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। পরে দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের গত ৪ সেপ্টেম্বর শিশুটি নির্দোষ বলে রায় দেন আদালত।
মামলাকে সত্য প্রামাণিত করতে এজাহারকারী তার দায়েরকৃত মামলার সমর্থনে আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেন। ডি.ডব্লিউ-২ কর্তৃক দেওয়া সোনার বারের কাগজপত্র উপস্থাপন করা সত্ত্বেও তা আমলে না নিয়ে মামলা দায়ের করে ওই পুলিশ সদস্য। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজস্ব অফিস হতে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ না করে মামলার বাদি পুলিশ কর্মকর্তাকে বাঁচানোর জন্য মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করে তদন্তকারী কর্মকর্তা। প্রকৃত সত্য জানার পরও মিথ্যা প্রতিবেদনের স্বপক্ষে শপথ গ্রহণপূর্বক আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেন তিনিও। এ মামলায় শিশুটি সম্পূর্ণ নির্দোষ হওয়া সত্ত্বেও ২০১৯ সালের ২২ এপ্রিল তারিখ থেকে ১ মাস ৬ দিন জেল হাজতে আটক থাকার পর একই বছর ২৮ মে জামিন পান।
আদালতে বেঞ্চ সহকারী সৈয়দ নুর -এ-খোদা বলেন, মিথ্যা মামলায়, মিথ্যা পুলিশের রিপোর্ট ও সাক্ষী দেওয়ায় দুই এসআই আনোয়ার হোসেন ও সুবীর পালের বিরুদ্ধে মামলার করেছেন মাননীয় বিচারক। আদালত মামলাটি গ্রহণ দুই জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতার পরোয়ানা জারি করেছেন।সুত্র সকালের চট্টগ্রাম

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla