1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
সিইউএফএল'র বর্জ্যের পানিতে ১০ লাখ টাকার মাছ মরে গেছে, দায়ী কে ? - পূর্ব বাংলা
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর নজরুল মার্কিন ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা ঠান্ডা মিয়া গরম কথা (৩৫৯) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক মোঃ হাসান মারুফ সমীপে কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ১৬ কোটি ৮৩ হাজার টাকার ইয়াবা উদ্ধার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ নিহত ৬ দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: অন্তত ৫ বাংলাদেশি আহত, ৩ জন আশঙ্কাজনক বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে ২ শিশুসহ মায়ের মরদেহ উদ্ধার ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের আত্মপ্রকাশ-আহ্বায়ক শফিক রেহমান যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক যেন এক মরণফাঁদ: যাত্রী সাধারণের চরম উদ্বেগ

সিইউএফএল’র বর্জ্যের পানিতে ১০ লাখ টাকার মাছ মরে গেছে, দায়ী কে ?

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০২২
  • ৩৭৬ বার পড়া হয়েছে

 নিজস্ব প্রতিনিধি

চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) এর বর্জ্যের পানিতে বার বার গবাদি পশু ও মাছের ব্যাপক ক্ষতি হলেও দায়ী ব্যাক্তির যথাযথ শাস্তি না হওয়ায় একই ঘটনা কিছু দিন পর পর ঘটছে।ফলে বরাবরই খামারী ও মৎস্যজীবিরা ক্ষতিগ্রস্হ হয়।

  জানা গেছে , ১২ জুলাই  মঙ্গলবার উপজেলার বারশত ইউনিয়নের ১নং গোবাদিয়া ওয়ার্ডের দুধকুমড়া বেড়িবাঁধের পূর্ব পাশে সিইউএফএলের বর্জ্যের পানি ঢুকে ৬টি পুকুরের মাছ মারা যায়। মাছ মরে পুকুরগুলোতে সাদা হয়ে আছে৷ সকাল থেকে মাছগুলো পুকুর থেকে তুলে পুকুর পাড়ে স্তুপ করে রাখা হয়েছে। দুগর্ন্ধে ভরে গেছে আশপাশ এলাকা।পরিবেশ বিষিয়ে উঠছে এখানে।

 অনুসন্ধানে দেখা গেছে জসিম উদ্দিন খানের দুই খানির প্রজেক্টে চিংড়ি, কোরাল, টেংরা, তেলোপিয়া, রুই কার্পোসহ বিভিন্ন মাছ মরে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।এদিকে খোরশেদ আলমের ৩ খানির প্রজেক্টে প্রায় ৩লক্ষ টাকার মাছ মারা গেছে।

এ ছাড়াও অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আগে বর্জ্যের পানি ছাড়ার সময় লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে দেওয়া হতো কিন্তু এবার কোনো পতাকা টাঙ্গানো হয়নি। এভাবে পূর্ব নোটিশ ছাড়াই বর্জ্যের পানি ছেড়ে দেয়ায় খামারীরা পানি আটকানোর কোনো আগাম ব্যবস্থা করতে পারেনি।

এবিষয়ে সিইউএফএলের এমডি আখতারুজ্জামান বলেন,  আমরা বিষয়টি দেখছি।

 স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তরুণ সমাজকর্মী এম, এ, কাইয়ুম শাহ বলেন, এটা সিইউএফএলের নিত্যদিনের কাজ। তাদের এমন কাজে স্থানীয়রা সব সময় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। আমি বিষয়টি দেখবো।এই বিষয়ে স্হায়ী সুরাহা চাই। ক্ষতিগ্রস্হদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla