1. admin@purbobangla.net : purbobangla :
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
সীতাকুণ্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটর সাইকেল আরোহী ও মহিলাসহ নিহত ২ জন স্মার্ট ও সুখী সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ গড়তে যুবলীগ নিরলস কাজ করছে-হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর সীতাকুণ্ডে জামাতে নামাজ পড়ে সাইকেলসহ বিভিন্ন উপহার পেলেন শতাধিক কিশোর সিইবিসি দুই পেরিয়ে ৩য় বর্ষে পদার্পণ বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের উন্নয়ন ও গণমুখী বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল ফৌজদারহাট বিট কাম চেক স্টেশন কর্তৃপক্ষ সেগুন কাঠ বোঝাই কাভার্ডভ্যান আটক আনোয়ারায় ওয়াসিকা ও জাবেদ গ্রুপের সংঘর্ষ চট্টগ্রাম জুড়ে একাধিক প্রশ্ন সীতাকুণ্ড নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে মিনি বাসের ধাক্কা আহত ৯ সীতাকুণ্ডে ডিসি পার্কে জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের চলান পরিদর্শন

২ বড় দলের বিপরীতমূখী নির্বাচনী প্রস্তুতিতে দেশজুড়ে উদ্বেগ – আতংক

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচনে জন্য প্রস্তুত হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো

*নির্বচনে অংশগ্রহণে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সব দল
* থাকবে রাজনৈতিক উত্তাপ,
* থাকছে সংঘাত-সহিংসতার আশঙ্কাও

এম. আলী হোসেন ও বিপ্লব কান্তি নাথ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে উৎসবমূখর পরিবেশ নেই । সাধারণ জনগণ ভয়ভীতি, উদ্বেগ, আশংঙ্খা ও অজানা পরিস্হিতি নিয়ে চিন্তায় দিন কাঠছে।২ বড় দল দুই রকম পদ্ধতিতে নির্বাচন করতে এক পায়ে ভর করে আছে।আওয়ামী লীগ বলছে সংবিধান অনুযায়ী নিবার্চন হবে। বিএনপি বলছে সংবিধান অনুযায়ী আগেও ভোট হয়েছে , দিনের ভোট রাতে হয়েছে । এই সংবিধান বিএনপি মানছে না। তারা বলছে তত্তাবধায়ক সরকার ছাড়া তারা নির্বাচনে যাবে না।এর আগে তারা একই দাবী দিয়েছিল। তারপরও সংসদে বিএনপির প্রতিনিধি ছিল।আগের কায়দায় একটু সংশোধন বিয়োজন করে আওয়ামী লীগ নির্বাচন করে ফেলবে এমন ধারণা আওয়ামীলীগ সমর্থকমহলে অন্যদিকে বিএনপি ভাবছে আগের পরিবেশ ও এখনের পরিবেশের বিশাল ফারাক রয়েছে।বিএনপি সভা সমাবেশ করে জানান দিচ্ছে আগের মতো মাঠ ছেড়ে দেয়া হবে না।

রাজনীতির মাঠ নিজেদের দখলে রাখতে চায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো। তবে একক ভাবে রাষ্ট্রপরিচালনা ও দলের নেতৃত্ব দেওয়া বৃহৎ দুই দল বর্তমানে রাজনৈতিক ভাবে বেশি আলোচিত আওয়ামী লীগ-বিএনপি, এছাড়া তৃতীয় দল হিসাবে আছে জাতীয় পার্টি। তবে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের মত যেন না হয় সেদিক লক্ষ রেখে বর্তমান সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বার বার বলেছেন, সব রাজনৈতিক দলের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্তকরে বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারগণ বাংলাদেশের সংবিধান এবং আইন অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কাজ করেন। নির্বাচন কমিশনের চাহিদা মোতাবেক সরকার সহায়তা করে।

আগামী সংসদ নির্বাচন বর্তমান নির্বাচন কমিশনারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষ্যমতে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বা বিদেশি রাষ্ট্রদূতের কোনো চাপ নির্বাচন কমিশনের ওপর নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

অপরদিকে, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের জোর প্রস্তুতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও দলের শক্তি বাড়াতে ছোট ছোট দলগুলোকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনের অংশগ্রহণেরও হিসাব-নিকাশ কষছে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও রাষ্ট্র পরিচালনায় বর্তমান ক্ষমতাশীন আওয়ামীলীগ আগামী নির্বাচনে অংশগ্রণের প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। তবে এবারের নির্বাচনে যারা প্রার্থী হবে তাদের নিয়ে ভাবেছে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনীতির মাঠ নিজেদের দখলে রাখতে চায় আওয়ামী লীগ। এ লক্ষ্যে আরও জোরালো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকার পরিকল্পনা রয়েছে ক্ষমতাসীনদের। সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই ‘পুরোদমে নির্বাচনি যাত্রা’ শুরু করতে যাচ্ছে দলটি। বর্তমান সরকার প্রদান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের মেগা প্রজেক্টের উদ্বোধন ঘিরেও কয়েকটি সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনি যাত্রার অংশ হিসাবে খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেটে বিভাগীয় সমাবেশের প্রস্তুতি রয়েছে। এছাড়া জেলা পর্যায়েও পালিত হবে এসব কর্মসূচি। এর বাইরেও ঢাকাসহ সারা দেশে ছাত্র সমাবেশ, সুধী সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা এবং আলোচনা সভা ও সেমিনারসহ নানা কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত রয়েছে দল ও সহযোগী সংগঠনলোর। এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নিজেদের নির্বাচনি প্রস্তুতির পাশপাাশি সংগঠনকে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করা হবে এবং বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চিত্র সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরবে আওয়ামী লীগ। এছাড়াও বিএনপির আন্দোলন মোকাবিলায় প্রত্যেকটি কর্মসূচির দিন নানা বিষয় সামনে এনে মাঠে থাকবে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাও। ১৪ দলীয় জোটের শরিকসহ সমমনা অন্যান্য দল ও সংগঠনকেও মাঠে রাখতে চায় ক্ষমতাসীনরা।

নির্বাচনকে সামনে রেখে যুগপৎ আন্দোলন করছে বিএনপির নেতৃত্বে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো। দলে গতি বাড়াতে নিজস্ব কর্মসূচি নিয়ে সাংগঠনিক শক্তি দেখাতে চায় বিএনপি। সেজন্য সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই জোরদার আন্দোলনে নামছে দলটি। প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত ধাপের আন্দোলনের শুরুতে গণমিছিল, আদালত চত্বরে অবস্থান, সমাবেশ, পদযাত্রার মতো কর্মসূচি রয়েছে। নাগরিকদের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার আন্দোলনের বিষয়ে তারাও ঐকমত্যে আছে দলটি।
তবে আগামী সংসদ নির্বাচনের জন্য দলীয় ভাবে প্রার্থী নির্ধাণের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বিএনপি। সংসদের ৩০০ আসনে প্রার্থীদের মধ্যে শরীক জোটদের সাথেও চলছে আলোচনা। বর্তমান দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া প্রায় সময় অসুস্থ থাকার দল এখন তারেক রহমানের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। অনেক সিনিয়র নেতারা মনে করেন, এখন থেকে শুধু দলের আন্দোলনের কথা বলে সময় নষ্ট না করে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।একটি সুত্রমতে, তারেক জিয়া নির্বাচনের আগে আসতে পারে ।তারেক জিয়া দেশে আসলে বিএনপির লাভ ক্ষতি হিসাব কষছে ওই দলের বিশেষঞ্জরা। বিষয়টি নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের মাথা ব্যাথাও আছে।হঠাৎ তিনি দেশে আসলে রাজনৈতিক মোড় কোনদিকে ঘুরবে বিষয় স্পষ্ট কেউ আচ করতে পারছে না।

অপরদিকে জাতীয় পার্টি পুরোদমে নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। সংগঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আপাতত এককভাবেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা ভাবছে তারা। তবে অতীতের মতো জোটগত নির্বাচনের পথ খোলা রাখার বিষয়টিও নীতিনির্ধারকদের মাথায় আছে। এটি সময়ের হাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
দলটির একাধিক সূত্র জানায়, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে একটি রোডম্যাপও তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্র থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ে জাতীয় পার্টি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলন শেষ করা হয়েছে। নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা এবং ত্যাগী ও সক্রিয় নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করে তাদের সামনের কাতারে নিয়ে আসা। তৃণমূল পর্যায়ে জরিপ করে ৩০০ আসনেই কমপক্ষে ৬০০ জন দক্ষ, যোগ্য এবং জনপ্রিয় প্রার্থী ঠিক করা। এর বাইরে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত পুরো সময় জাতীয় সংসদে এবং সংসদের বাইরে রাজপথে জনগুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সক্রিয় ও সরব থেকে জনসমর্থণ আদায় করা।

শেয়ার করুন-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 purbobangla