1. admin@purbobangla.net : purbobangla :
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
সীতাকুণ্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটর সাইকেল আরোহী ও মহিলাসহ নিহত ২ জন স্মার্ট ও সুখী সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ গড়তে যুবলীগ নিরলস কাজ করছে-হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর সীতাকুণ্ডে জামাতে নামাজ পড়ে সাইকেলসহ বিভিন্ন উপহার পেলেন শতাধিক কিশোর সিইবিসি দুই পেরিয়ে ৩য় বর্ষে পদার্পণ বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের উন্নয়ন ও গণমুখী বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল ফৌজদারহাট বিট কাম চেক স্টেশন কর্তৃপক্ষ সেগুন কাঠ বোঝাই কাভার্ডভ্যান আটক আনোয়ারায় ওয়াসিকা ও জাবেদ গ্রুপের সংঘর্ষ চট্টগ্রাম জুড়ে একাধিক প্রশ্ন সীতাকুণ্ড নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে মিনি বাসের ধাক্কা আহত ৯ সীতাকুণ্ডে ডিসি পার্কে জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের চলান পরিদর্শন

বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন আবদুস সবুর খান-এর সমাধি সংরক্ষণ করার দাবী

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন আবদুস সবুর খান-এর সমাধি সংরক্ষণ করার আবেদন স্মৃতি সংসদের। শহীদ আবদুস সবুর খান স্মৃতি সংসদ-এর নেতৃবৃন্দ মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন আবদুস সবুরের সমাধি সংরক্ষণের আবেদন করেছে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম  সমীপে।৬ ফেব্রুয়ারী স্মৃতি সংসদের এক লিখিত আবেদন দেন স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক এম.এ. রহিম খান।
জানা গেছে, ১৯৭১ সালে ২৯ নভেম্বর তৎকালীন পটিয়া বর্তমান চন্দনাইশ উপজেলার বশরত নগর মাদ্রাসাস্থিত রাজাকার আল-বদর আল-শামস বাহিনী ক্যাম্পে অপারেশন পরিচালনা করেন আবদুস সবুর খান। সেদিন সম্মুখ যুদ্ধে ক্যাম্প থেকে রাজাকারদের একটি বুলেট আবদুস সবুর খানের কপালে আঘাত লাগে, সে বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন। পরের দিন ৩০ নভেম্বর ’৭১ সকালে রাজাকার বাহিনী বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুর সবুরের লাশের উপর অবর্ণনীয় নির্যাতন শেষে শঙ্খ নদীতে ফেলে দেয়।সংবাদ পেয়ে শহীদের আত্মীয়-স্বজনেরা অনেক খোঁজাখুজি করতে থাকে। তিন দিন পর ৩রা ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে সকালে শহীদ আবদুস সবুরের লাশ ভাসমান অবস্থায় চর-বরমা এলাকা শঙ্খ নদীতে পাওয়া যায়। ওইদিন বিকেলে শহীদের জন্মস্থান বরমা গ্রামের উসাপুকুর পাড়ে শহীদ আবদুস সবুরের লাশ দাফন করা হয়। দাফনের পর তিনি রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদ হিসেবে স্বীকৃতি পান। মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য চলতি বছর তিনি মরনোত্তর সম্মাননাও পান।
আবদুস সবুর খান বিমান বাহিনীতে চাকুরিরত অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন ও ভারতের হরিণা ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ নেন। এফ এফ ৩৩ এর সাথে যুক্ত হন এবং গ্রুপ নং-এফ এফ ৩৩, ৩৪ ও ৩৫-এর অপারেশন চীফ হিসেবে তৎকালীন পটিয়া (চন্দনাইশসহ) আনোয়ারা ও বাঁশখালী বিভিন্ন এলাকায় সফলভাবে অপারেশন পরিচালনা করেন। বর্তমানে বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুস সবুর খান-এর সমাধি অবহেলা ও অযত্নে পড়ে আছে। স্মৃতি সংসদ এই বীর মুক্তিযোদ্ধার সমাধি রক্ষা ও সংরক্ষন করার জন্য পুকুরের ভেতরের দিকে গাইড ওয়াল নির্মাণের দাবী জানিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন নিবেদন করেছে।
শেয়ার করুন-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 purbobangla