উপমহাদেশের অন্যতম স্বাধীনতা সংগ্রামী, প্রখ্যাত আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সমাজ সংস্কারক আবদুল লতিফ উকিলের ৫৮তম মৃত্যুবার্ষিকী ২০ জানুয়ারি ২০২৩ শুক্রবার। তিনি ১৮৯৫ সালের ১লা মার্চ জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৬৫ সালের ২০ জানুয়ারি ইন্তেকাল করেন। আবদুল লতিফ উকিল ছিলেন নিখিল ভারত মুসলিম লীগ চট্টগ্রাম শাখার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক (১৯২৪), চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (১৯৪৯), চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি, চট্টগ্রাম আইন কলেজ সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি, হাটহাজারী হাই স্কুল, কাজেম আলী হাই স্কুল, গুলজার বেগম গার্লস হাই স্কুল, পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারী, চট্টগ্রাম সরকারী কলেজ ও সরকারি আই.আই কলেজ (বর্তমান মহসিন কলেজ) গভর্ণিং বডির সদস্য, হযরত বায়েজীদ বোস্তামি (রহ:), হযরত গরিব উল্লাহ (রহ:) ও হযরত মিশকিন শাহ (রহ:) দরগাহ কমিটির সম্পাদক, চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা বোর্ড ও ইসলামাবাদ টাউন কো অপারেটিভ ব্যাংক চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম পৌরসভার কমিশনার ছিলেন। তাছাড়াও ভারতীয় আইন সভার সাথে সম্পৃক্ত ও অল ইন্ডিয়া বার কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। তিনি তৃণমূল থেকে নেতৃত্বে উঠে এসেছিলেন। ১৯৩০ সালে হাটহাজারী ইউনিয়ন বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা ইউনিয়ন বোর্ড প্রেসিডেন্ট সমিতির সভাপতি ছিলেন। চট্টগ্রাম পোস্টাল ইউনিয়নের সভাপতি, কো-অপারেটিভ বুক সোসাইটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
বি এম এ প্রাক্তন সভাপতি, প্রখ্যাত নিউরোসার্জন অধ্যাপক ডা: এল.এ.কাদেরী মরহুমের জৈষ্ঠ্যপুত্র, পাকিস্তান আমলের খ্যাতনামা ছাত্রনেতা মরহুম এডভোকেট আবুল হাসনাত কাদেরী মেজপুত্র, ৬ দফা ও ১১ দফা আন্দোলনের সংগঠক মরহুম এডভোকেট মুহাম্মদ নুুুরুল আনোয়ার সেজপুত্র, হাটহাজারী আওয়ামী লীগ নেতা আবুল মোহসেনাত কাদেরী (সেখু) ছোট এবং সাংবাদিক-মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল ও ওয়ার্ল্ড এসোসিয়েশন অব প্রেস কাউন্সিলের সাবেক নির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ বিএসপি সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক হাউজিং সোসাইটির সাবেক চেয়ারম্যান মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত কনিষ্ঠপুত্র।
আব্দুল লতিফ উকিলের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে হাটহাজারীস্থ গ্রামের বাড়ীতে এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এতে সকলকে যোগ দেওয়ার জন্য মরহুমের দৌহিত্র কামরুল হাসান কাদেরী (রুহিন), ইলিয়াছ কাদেরী, সাজিদুল আনোয়ার ও শিহাব কাদেরী অনুরোধ জানিয়েছেন।
ঢাকা-চট্টগ্রামসহ সারাদেশে এবং সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অষ্ট্রেলিয়া, আফ্রিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মরহুমের আত্মীয় স্বজনদের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও ঢাকা টঙ্গি বিশ্ব ইজতেমায় শরিক মরহুমের আত্মীয় স্বজনদের উদ্যোগে রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া হয় ও হবে।