1. [email protected] : purbobangla :
রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পাঠ্যবই না পড়েই প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন মির্জা ফখরুল: তথ্যমন্ত্রী সারাদেশে বিএনপির পদযাত্রা ১১ ফেব্রুয়ারি পতেঙ্গায় ৯ লক্ষ টাকার বিয়ারসহ ২ মাদক কারবারি আটক পলাতক মূল হোতা সু চির মুক্তির পক্ষে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস বিএনপি জামাতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ দুস্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বিএনপির ১০ দফা দাবি মূল্যহীন: তোফায়েল আহমেদ ১ হাজার কোটির ক্লাবের পথে ‘পাঠান’ চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন প্রচারনায় সরগরম আদালত অঙ্গন সুফিবাদীদের প্রাণশক্তি আল্লামা আজিজুল হক ইমাম শেরে বাংলা (রহ.) ওফাত বার্ষিকী পালন করলেন সাবেক মেয়র এম. মনজুর আলম

বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন ?

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

এম. আলী হোসেন

আগামী ২৩ এপ্রিল বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তিনি টানা দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান অনুযায়ী একজন রাষ্ট্রপতি দুই বারের বেশি ওই পদে থাকতে পারেন না।  রাষ্ট্রপতির দৌঁড়ে এখন পর্যন্ত  ড. মশিউর রহমান, ড. গহর রিজভী, শেখ রেহেনা ও ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এগিয়ে রয়েছেন । এ নিয়ে নানারকম আলাপ-আলোচনা ও গুজবের ডালপালা বইতে শুরু হয়েছে।
 নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে কাজ চলছে । ৪ জানুয়ারী আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন যে, রাষ্ট্রপতির জন্য সংবিধান পরিবর্তন হবে না। সংবিধান সম্মতভাবেই এবং সংবিধানে বেঁধে দেওয়া সময় সীমার মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত করবে বর্তমান সরকার।সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবার কথা। কাজেই আওয়ামী লীগ যাকে মনোনীত করবে তিনি হবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত বুদ্ধি বিবেচনা, আস্হাবান,  নির্ভরযোগ্য ও পরীক্ষিত ব্যাক্তিই এই পদে আসীন হবেন এই ধারণা সকল মহলের।অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য হিসেবে অনেকেই শেখ রেহেনাকে রাষ্ট্রপতি পদে দেখতে চান।বিষয়টি অরুচিকর ও দেশজুড়ে সমালোচনায় পড়বেন নিতান্ত এই ধারণার কারণে শেখ হাসিনা চাইবেন না শেখ রেহেনা রাষ্টপতি হোক।তবে অনেকেই বলছেন শেখ রেহেনা রাষ্টপতি হলে শেখ হাসিনা, তাঁর পরিবার , আওয়ামী লীগ এমনকি দেশ নিরাপদ থাকবে।
এদিকে ড. মশিউর রহমান, ড. গহর রিজভী ও ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের নামও শুনা যাচ্ছে এই পদের জন্য ।তিনজনই স্ব – স্ব ক্ষেত্রে যোগ্য ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছের লোক।
প্রফেসর ড. গওহর রিজভী একজন  ইতিহাসবিদ, পণ্ডিত এবং শিক্ষক। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অধ্যাপক রিজভী বিভিন্ন সময়ে  ব্রিটিশ এবং আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়, হার্ভার্ড কেনেডি স্কুল ও ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ায়  শিক্ষক বা প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। ইতিহাস, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং পাবলিক পলিসি নিয়ে তাঁর অনেক প্রকাশনা রয়েছে।গওহর রিজভী তাঁর ছাত্র জীবনের প্রথম অংশ চট্টগ্রাম ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে অতিবাহিত করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ এবং এমএ পাশ করেন। উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণী লাভ করেন। ১৯৭২ সালে রোডস স্কলার হিসেবে তিনি ট্রিনিটি কলেজ, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে যান এবং পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন একাধারে রাজনীতিবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ।  তিনি বাংলাদেশ জা

তীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পরিবহন এবং গৃহায়ন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের সাবেক মন্ত্রী। তিনি  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পদ প্রেসি

ডিয়ামের সিনিয়র সদস্য।মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সেক্টর – ১ এর সাব – সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। ১৯৭০ সালে তিনি সর্বপ্রথম তৎকালীন পূর্বপাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার পর তিনি ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮,২০১৪ এবং ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ড. মশিউর রহমান প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে ছিলেন ড. মশিউর রহমান। আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং আস্থাভাজন হিসেবে বিবেচিত ড. মশিউর রহমান। নানা কারণে ড. মশিউর রহমান রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।
প্রথমত, রাষ্ট্রপতি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী এবং সরকার একজন আস্থাজানক ব্যক্তিকে সবার আগে বিবেচনা করবে। বিশেষ করে ১৯৯৬ সালে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদকে রাষ্ট্রপতি করার পর যে তিক্ত অভিজ্ঞতা আওয়ামী লীগের হয়েছে সেখান থেকে আস্থা এবং বিশ্বাসের বিষয়টি সবার সামনে চলে এসেছে।

সে বিবেচনা থেকে ড. মশিউর রহমান সন্দেহাতীতভাবেই আস্থাশীল এবং বিশ্বস্ত।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবার অনেক জটিল সমীকরণের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে বিরোধী দল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একটি বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করবে। তিনি একজন গ্রহণযোগ্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে সুশীল সমাজ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সহ বিভিন্ন মহলের আস্থাভাজন হতে পারে এমন বিবেচনা  করছে আওয়ামী লীগ।
দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রপতি হিসেবে একজন মার্জিত রুচিশীল ব্যক্তিকে খুঁজছে আওয়ামী লীগ এবং সে বিবেচনা থেকে ড. মশিউর রহমান উচ্চ শিক্ষিত এবং যথেষ্টভাবে দলের বাইরে গ্রহণযোগ্য। এসমস্ত বিবেচনা থেকেই ড. মশিউর রহমান আগামী রাষ্ট্রপতি হতে পারেন এমন গুঞ্জন আওয়ামী লীগের শোনা যাচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে যে, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাজেই তিনি যাকে বিবেচনা করবেন তিনিই হয়তো আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন।
তবে আওয়ামী লীগের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে নাটকীয় কোনো পরিবর্তন না হলে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে পারেন ড. মশিউর রহমান।
শেয়ার করুন-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 purbobangla