1. admin@purbobangla.net : purbobangla :
শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ১১:২১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
সিএমপি’র নতুন কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় নলছিটিতে প্রাইভেটকারে ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক-২ বীণারানী দে’র শোক সভায় বক্তারা মানুষের কল্যাণ সাধনের মাঝে জীবনের মহত্ব চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের নির্বাচনের প্রার্থী পরিচিতি অনুষ্ঠান বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে সিলেটের বন্যা দুর্গত ৭ শতাধিক পরিবারে ত্রাণ বিতরণ দুর্নীতিঃ চাকরি গেলো ডিএসসিসির কর কর্মকর্তাসহ ৩৪ জনের ‘লিগ্যাল এইড দরিদ্র বিচার প্রার্থীর শেষ আশ্রয়স্থল’ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের অগ্নি নির্বাপণ জরুরী উদ্ধার ও বহির্গমন বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও মহড়া অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ৬৮০পিচ ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নবাবগঞ্জে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

বটতলী ইউনিয়নের আজিজুল হক চৌধুরী বাবুল দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪৩১ বার পড়া হয়েছে

 নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হলে জনগণের প্রকৃত সেবক হিসেবে নিজেকে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রাখবো 

   এম. জসিম উদ্দিন

আনোয়ারার রাজনৈতিক অঙ্গণে আজিজুল হক চৌধুরী বাবুল একজন শুধু  রাজনীতিবিদ নন, সমাজসেবক, প্রাক্তন সফল ইউপি সদস্য, সফল ঠিকাদার ও একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত । এ ছাড়া তিনি সামাজিক সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন । হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও চিন্তা-চেতনার প্রতি অবিচল আস্থা ও শ্রদ্ধা রেখে ১৯৮৩ সাল থেকে বর্ষীয়ান আওয়ামীলীগ নেতা প্রয়াত আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু’র নেতৃত্বে বাবুল ছাত্রলীগের পতাকাতলে সমবেত হন। আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু’র সাথে সুদীর্ঘ ত্রিশ বছর রাজনীতি করেছেন আজিজুল হক চৌধুরী বাবুল ।

পরোপকারী জনহিতকর কর্মের মাধ্যমে খুব অল্প সময়ে বাবুল তৃণমূল নেতা-কর্মীদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন । বাবুল আনোয়ারা উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের পূর্ব বরৈয়া গ্রামে ১৯৭০ সালে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন । বাবার নাম আবুল খায়ের, মাতার নাম নুরজাহান বেগম । ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিবাহিনীর বিভিন্ন গ্রুপে রসদ সরবরাহ সহ মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছিলেন বাবুলের স্বনামধন্য পিতা আবুল খায়ের । আবুল খায়ের ছিলেন বটতলী এলাকার প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী । বাবুল ১৯৮৫ সালে বটতলী শাহ্ মোহছেন আউলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন ১৯৮৯- ৯০ সালে আনোয়ারা কলেজ ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন । পরবর্তীতে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মহিউদ্দিন আলমগীর টিটু অসুস্থতাজনিত কারণে একমাসের জন্যে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন বাবুল । ওই কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ডুমুরিয়া গ্রামের নাজিম উদ্দীন । বাবুল ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীকের  পক্ষে নিজ এলাকায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন । ২০০৩ সালে বটতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ১৯৮৬ সালে পূর্ব বরৈয়া শেখ  রাসেল স্মৃতি সংসদের সভাপতি ছিলেন আজিজুল হক বাবুল । বাবুল ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৯৬ সালে স্বৈরাচারিনী খালেদা বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন । এ প্রসঙ্গে বাবুল বলেন, ১৯৯৬ সালে বিএনপির একতরফা প্রহসনের নির্বাচন ঠেকাতে গিয়ে ষরযন্ত্রমূলকভাবে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামী হই । ২০১৩ সালে বিএনপি, জামায়াত-শিবির থেকে আগত অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিড ও পূর্ব বরৈয়া গ্রামের কুখ্যাত রাজাকার আব্বাস উদ্দিন চৌধুরীর দানব সন্তানদের চক্রান্তে একটি খুনের মামলায় এজাহারভুক্ত আসামী হতে হয় আমাকে । পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলাগুলো আইনগতভাবে মোকাবিলা করেছি । পরবর্তীতে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ার পর সকল মামলা থেকে বেকসুর খালাস পাই । বাবুল বলেন, ওইসব মামলায় আমার প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে । তিনি বলেন, দল থেকে চাওয়া-পাওয়া কিছুই ছিলোনা । বরং দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছি, মামলা-হামলার শিকার হয়েছি, সহায় সম্বল হারিয়েছি । আসন্ন ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রতীক পেলে এলাকায় জনগুরুত্বপূর্ণ কি কি দায়িত্ব পালন করবেন ? এর জবাবে তিনি বলেন, জনগণের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আমার প্রিয় নেতা আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু’র সুযোগ্য সন্তান মাননীয় ভূমিমন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি’র পূর্ণ আস্থা ও ভালোবাসায় মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনার প্রতীক নৌকা পেলে আমি বিপুল ভোটে জয়ের লক্ষ্যে কাজ করবো । নির্বাচিত হলে জনগণের প্রকৃত সেবক হিসেবে নিজেকে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রাখবো । এলাকার অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করবো । বাবুল বলেন, জনপ্রতিনিধ নয়, আমি হতে চাই জনগণের প্রকৃত সেবক ।

শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে বাবুল আনোয়ারা কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন । বাবুল ছোটো-বড় ভেদাভেদ করে না। সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলেন । এজন্যই ইউনিয়নের সুধী সমাজে আছে তার সুনাম  । বাবুলের মতো একজন অসাম্প্রদায়িক প্রগতিবাদী দায়িত্ববান মানুষ বর্তমান সমাজে বড়ই বিরল । ভালো মানুষ হিসেবে তার সুখ্যাতি ছিল এবং এখনো আছে । সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিতের মাধ্যমে সম্প্রীতির ইউনিয়ন গড়ার শপথ করেন তিনি ।

শেয়ার করুন-

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 purbobangla