1. [email protected] : purbobangla :
মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ০২:০০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বঙ্গবন্ধু টানেলের সুফলের বদলে সংকট যানজট বাড়ার শঙ্কা চট্টগ্রাম গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের ‘চক্ষু শিবির’ মানুষের মাঝে ছড়াচ্ছে আশার আলো ২৯নং ওয়ার্ডে এ.বি.এম. মহিউদ্দীন চৌধুরী পরিবারের পক্ষ থেকে শীত বস্ত্র বিতরণ গাউসিয়া কমিটি দুবাই আল আবীর শাখার দোয়া মাহফিল সৈয়দ মঈনুদ্দিন হোসেন মেমোরিয়াল একাডেমি কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ব্রাদার্স ক্রিকেট একাডেমি  ও ব্রাইট একাডেমি চ্যাম্পিয়ন গাজীপুর জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে অটিজম ছেলে-মেয়েদের ক্রীড়া উৎসব অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের প্রথম বেকিং ট্রেনিং সেন্টার ও শোরুমের যাত্রা শুরু  কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ভূমিকম্পে কাঁপলো এশিয়ার ৬ দেশ শ্রমিকরা অর্থনীতির আয়না : শাজাহান খান নবাবগঞ্জে করোনার ভ্যাকসিন দিতে গিয়ে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু

দল বিক্রি করে তারেক চলে, তাকে কোনো সম্পত্তির ভাগ দেবো না – খালেদা জিয়া

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১
  • ১২২ Time View
বিশেষ প্রতিনিধি
অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এর মধ্যেই তার সম্পদের ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে জিয়া পরিবারে গৃহদাহ শুরু হয়েছে। বেগম জিয়ার কিছু হলে তার বিপুল সম্পদের মালিকানা প্রশ্নে জিয়া পরিবার বিভক্ত। বেগম জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান লন্ডনে পলাতক। তারেক নিজেও বিপুল সম্পদের মালিক। কিন্তু মায়ের বিপুল সম্পদের পুরোটাই চান তিনি। এ রকম অভিপ্রায়ের কথা তারেক তার মামা শামীম ইস্কান্দারকে বলেছেন। বেগম জিয়ার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সিঁথি হলেন বেগম জিয়ার সম্পদের মূল ভাগীদার। এমন কি হাসপাতালে খালেদা জিয়ার পাশে থাকা একটি সূত্র  জানিয়েছে, ‘তারেক রহমান দল বিক্রি করে চলে, তাকে কোনো সম্পত্তির ভাগ দিবো না। ’
গুঞ্জন আছে, বেগম জিয়ার তার প্রায় সব সম্পদই সিঁথির দুই কন্যার নামে লিখে দিয়েছেন। এ জন্যই তারেক রহমান ক্ষুব্ধ এমন গুঞ্জনও বিএনপিতে শোনা যায়। অন্যদিকে, এখন বেগম জিয়ার ভাই বোনও  ওই সম্পদের হিস্যা চায়। জানা গেছে, বেগম জিয়া কারাগার থেকে জামিন পাওয়ার পরপরই সম্পদ ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে পরিবারে গৃহদাহ শুরু হয়।
বেগম জিয়ার মধ্যপ্রাচ্যের ৪টি দেশে বেগম জিয়ার শতকোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। এই সব সম্পদের প্রায় সবই, বেগম জিয়ার সাবেক একান্ত সচিব মোসাদ্দেক আলী ফালুর নামে। ফালু বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। একাধিক দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত হবার পরপরই ফালু সৌদি আরবে পালিয়ে যান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। ফালুর যত কোম্পানি এবং প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার সব গুলোতেই কোকো পার্টনার ছিলেন। জানা যায় যে, তারেক পৃথকভাবে ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নেয়ার পরপরই বেগম জিয়া তার ছোট ছেলেকে ফালুর সঙ্গে যুক্ত করেন।
তাই সংগত কারণেই, বেগম জিয়ার বেনামে রাখা সম্পত্তিগুলোর মালিকানা কোকোর স্ত্রীর কাছে চলে যাওয়ার কথা। কিন্তু এটা তারেক রহমান মেনে নিতে রাজী না। এজন্যই, তারেক চায় এখনই বেগম জিয়া তার মায়ের নামের বেনামী সম্পত্তিগুলো এখনই বণ্টন করা হোক। কিন্তু বেগম জিয়া এতে তখন সায় দেননি। এ নিয়েই মা ছেলের দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছিল। শেষ পর্যন্ত বেগম জিয়া যদি তার সম্পদ কাউকে লিখে না দেন, তাহলে বেগম জিয়ার অবর্তমানে তার মালিকানা সিঁথির কাছেই চলে যাবে। আর ফালুর সাথে তারেক রহমানের সম্পর্ক খুবই খারাপ। এ কারণেই বেগম জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যেতে আগ্রহী ছিলেন না। বরং তিনি সিঙ্গাপুর কিংবা দুবাইয়ে চিকিৎসা নিতে আগ্রহী।
শেয়ার করুন-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 purbobangla